শেরপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক ছাত্রদল নেতাসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে শেরপুর শহরের গৌরীপুর ও খোয়ারপাড় এলাকাবাসীর মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। শেরপুর সদর থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন, শহরের গৌরীপুর মহল্লার মৃত আজাহার আলীর ছেলে ট্রলিচালক মিজানুর রহমান মিজান (৩৫) এবং একই মহল্লার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর ছেলে ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম শ্রাবণ (২২)। শ্রাবণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মিজান রাতে এবং শ্রাবণ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মারা যান।
এদিকে এ ঘটনায় মধ্যরাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় দুপক্ষের মধ্যে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, গৌরীপুর মহল্লা ও খোয়ারপার শাপলা চত্বর এলাকার দুই দল কিশোরের মধ্যে কয়েক দিন আগে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর জেরেই সোমবার রাতে দুই এলাকার লোকেদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গৌরীপুর মহল্লার ট্রলিচালক মিজান ও ছাত্রদল নেতা শ্রাবণ গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন এবং শ্রাবণকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান শ্রাবণ।
শেরপুর সদর থানার ওসি সোমবার রাতে বলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উভয় পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
