চালাক চতুর কাঠবিড়ালি সহজে পোষ মানে না। তবে নয়ন পোষ মানিয়েছেন। রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের পরিচ্ছন্নতাকর্মী নয়ন কুমার সাহা দেখেন হঠাৎ করে কাঠবিড়ালির বাসা ভেঙে গাছ থেকে পড়ে যায়। এতে করে কয়েকটি বাচ্চা মারা গেলেও একটি বাচ্চা জীবিত থাকে। একেবারে ছোট সে বাচ্চাটি। নয়ন সেই কাঠবিড়ালিকে তুলে নিয়ে গিয়ে তার যত্ন নিতে শুরু করেন। তাকে গরুর দুধ খাইয়ে ধীরে ধীরে বড় করে তোলেন। তারপরে পেয়ারা সহ বিভিন্ন ফলমূল খাওয়ানো শুরু করেন। তার পাশাপাশি বাদাম ও অন্যান্য জিনিস খেতে শিখে বাচ্চাটি। কিন্তু কাঠবিড়ালি বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সে বোঝে এটিই আমার বাবা মা। তাই নয়নের সঙ্গ ছাড়েনি বাচ্চাটি। অফিসে আসলে পকেটে, শার্টের ভেতরে, কাঁধের ওপরে উঠে আসে কাঠবিড়ালিটি। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করার সময়েও তার সঙ্গেই থাকে। লাফালাফি করতেও দেখা যায়। অনেক সময় গাছপালা দেখে লাফিয়ে চলে যায়। কিন্তু নয়নকে নজরে রাখে কাঠবিড়ালিটি। এদিক সেদিক হলেই কাঠবিড়ালিটি দৌড় এসে হাতে কাঁধে উঠে পড়ে। ছবিগুলো রোববার শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মহিলা কলেজ থেকে তোলা। ছবি: আজাহার উদ্দিন
