খুলনা থেকে ঢাকাগামী ‘কৃষিপণ্য স্পেশাল’ ট্রেন চলাচল শুরু

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৪, ১৭:৫৮

কম খরচে খুলনা-চুয়াডাঙ্গা থেকে কৃষিপণ্য ঢাকায় পরিবহনের উদ্দেশ্যে 'কৃষিপণ্য স্পেশাল' চলাচল শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) থেকে সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার  'কৃষিপণ্য স্পেশাল' ট্রেনটি খুলনা-ঢাকা ভায়া ঈশ্বরদী রুটে চলাচল শুরু হলো।

কৃষিপণ্য স্পেশাল ট্রেনটি সকাল সোয়া দশটায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসে এবং দুপুর ২টার পর চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনে এসে পৌঁছায়। সেখান থেকে একশ' কেজি পটল ও ঢেঁড়স নিয়ে চুয়াডাঙ্গা ছেড়েছে 'কৃষিপণ্য স্পেশাল' ট্রেনটি। রাতে সাড়ে দশটার পর ট্রেনটির ঢাকা তেজগাঁওয়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষিপণ্য পৌঁছে দিতে অত্যাধুনিক লাগেজ ভ্যানে কৃষিপণ্য পরিবহন করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে এ উদ্যোগ নিয়েছে। লাগেজ ভ্যানে ফল ও সবজি পরিবহন করা যাবে। আর রেফ্রিজারেটেড লাগেজ ভ্যানে হিমায়িত পণ্য মাছ, মাংস ও দুধ পরিবহন করা হবে। মোট ২০৩ মেট্রিক টন সবজি, ফল, মাছ, মাংস ও দুধ পরিবহন করা যাবে।

পাবনার ঈশ্বরদী আওতাপাড়া গ্রামের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমে জানান, আজ সকালে চুয়াডাঙ্গার হাট থেকে সবজি কেনেন কৃষি স্পেশাল ট্রেনে পরিবহনের জন্য। তিনি জানান, ৭৮ টাকা ভাড়া দিয়ে ট্রেনে তিনি ৫০ কেজি করে পটল ও ঢেঁড়স নিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাশে রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় কমার্শিয়াল অফিসার নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার খুলনা থেকে ঢাকার উদ্দেশে 'কৃষিপণ্য স্পেশাল' ট্রেনটি ছেড়ে যাবে। ট্রেনটিতে সাতটি কোচ রয়েছে। ফল ও সবজির ছয়টি লাগেজ ভ্যান (কোচ) এবং একটি রেফ্রিজারেটেড লাগেজ ভ্যান রয়েছে। রেফ্রিজারেটেড লাগেজ ভ্যানে ২৯ মেট্রিক টন মাছ, মাংস ও দুধ পরিবহন করা যাবে। আর ছয়টি লাগেজ ভ্যানে ১৭৪ মেট্রিক টন সবজি ও ফল পরিবহন করা হবে।

তিনি বলেন, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নিয়মিত তাদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহন করতে পারবে। এ ট্রেনের চাহিদা বাড়লে প্রতিদিন চালানোর ব্যবস্থা করা হবে। নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত কোনো টাকা নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কুলিরাও অতিরিক্ত টাকা নিতে পারবে না।

ইত্তেফাক/এনএ