চলাচলে অনুপোযোগী মধুখালীর ৮০ কিলোমিটার রাস্তা

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৪, ১৫:০৮

সময়মত সংস্কার না করায় টানা বৃষ্টিতে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার প্রায় ৮০কিলোমিটার রাস্তার পিচের কার্পেটিং উঠে গেছে। এতে যান চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। এ নিয়ে চলাচলে অসুবিধাসহ নানা জনদূর্ভোগের অভিযোগ এলাকাবাসীর।

মধুখালী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, উপজেলায় কাঁচা-পাকাসহ মোট ৮২৪ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে বিটুমিনাস কার্পেটিং ২০০কিলোমিটার, এইচ বিবি (ইটের রাস্তা) ৫০.৫৯কিলোমিটার এবং বাকি ৫৭৩.৪১ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে। 

চলতি মাসের টানাবৃষ্টি এবং অতিপুরাতন রাস্তাগুলি মেরামত বা সংস্কার না করার কারণে বিভিন্ন রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়া, রাস্তার কার্পেটিং উঠে যাওয়ার কারণে সাধারণ পথচারী, ভ্যান রিক্সা যানবাহনে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। আর কাঁচা রাস্তায় টানা বৃষ্টিতে ৮০শতাংশ রাস্তায় হাটুসমান কাঁদা হওয়ায় চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণের। 

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায় টানাবৃষ্টি কারণে ডুমাইন মধুমোড় থেকে ডুমাইন আলমের বাড়ীর পাকা সড়ক, ডুমাইন মোড় হতে সমাধীনগর কার্পেটিং রাস্তা, কামালদিয়া ইউনিয়নের নিখরিয়া বাজার টু মীরের কাপাষহাটিয়া কার্পেটিং রাস্তা এবং বাগাট নওপাড়া মাঝিবাড়ি টু রায়জাদাপুর বাজার কার্পেটিং রাস্তাসহ প্রায় ৮০কিলোমটিার রাস্তা খানাখন্দে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. সোহেলা রানা বলেন, ‘মধুখালীতে কাঁচা-পাকাসব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৮‘শ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। অনেক রাস্তা ১২ থেকে চৌদ্দ বছর আগের পুরাতন রাস্তা আছে। দীর্ঘদিন ধরে এ রাস্তাগুলি সংস্কার ও মেরামতের কোন অর্থ বরাদ্ধ না থাকায় রাস্তার বেহাল অবস্থা হয়েছে। আবার চলতি মাসে টানা বৃষ্টির ফলে অনে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে মধুখালী উপজেলার অনেক কাঁচা ও পাকা রাস্তার সংস্কারের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। কোন রাস্তা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না হলে পূনরায় সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে। বরাদ্ধ হলে এগুলির সংস্কার ও মেরামত কাজ হবে।’

ইত্তেফাক/এএইচপি