রাউজানে ডাবুয়া ও সর্তা খাল ভাঙনে প্লাবিত জনবসতি

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৯, ০১:৩৬

রাউজানে অতিবর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢলে ডাবুয়া খাল ও সর্তা খালের বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে জনবসতি। চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। এই ভাঙ্গনের ফলে উপজেলার নোয়াজিসপুর, চিকদাইর, ডাবুয়া ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার পশ্চিম সুলতানপুরে কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

এসব এলাকায় পানির তীব্র স্রোতে তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলাসহ নানা ফসলি ক্ষেত, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, খামারের মুরগি, ভেঙ্গেছে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর, উপড়ে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি, শোবার ঘর ও রান্না ঘরে প্রবেশ করেছে পানি। বন্ধ হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষাকার্যক্রম। এছাড়াও টানা একসপ্তাহ ধরে বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের প্রভাবে উপজেলার সদরের ঢেউয়া হাজিপাড়া, মোহাম্মদপুর , পাহাড়তলী ইউনিয়নের খৈয়াখালী, দেওয়ানপুর ,বাগোয়ান ইউনিয়নের কর্ণফুলীতীরবর্তী কিছু এলাকা, নোয়াপাড়া, উকিরচর, পশ্চিম গুজরা ও বিনাজুরি ইউনিয়নের হালদানদী তীরবর্তী কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। 

শুক্রবার বিকালে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, পৌর এলাকার ৪নং ওয়াডের পশ্চিম সুলতানপুর ডাবুয়া খালের প্রায় ৬০-৭০ ফুট বাঁধ ভেঙ্গে পশ্চিমদিকে তীব্রস্রােতে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে রামকৃঞ্চ পল্লীসহ আশেপাশের এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এই পানির স্রােতে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়ক - চিকদাইর পাটানপাড়া সংযোগ সড়কের সত্যের দোকান সংলগ্ন স্থানসহ বেশকিছু স্থানে ভেঙ্গে গেছ্ সড়কে এক হতে দেড় ফুট উঁচুতে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার্দি সিকদার দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, আমি বন্যা দুর্গত এলাকায় আছি। আমাদের এমপি প্রতিনিয়ত বন্যার ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তদারিক করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টিম ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করেছে। 

আরও পড়ুন: যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশ সক্ষমতা অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এহছান মুরাদ দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, বন্যা দুর্গতদের মাঝে ১০ মেট্রিক টন চাল, ডালসহ শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। আমি বন্যা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করছি। বন্যার এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ইত্তেফাক/কেকে