জার্মানিতে অবিলম্বে আস্থা ভোট চান বিরোধীরা 

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৪, ০৮:২৪

ক্ষমতাসীন জোটে ভাঙনের পর জানুয়ারিতে আস্থাভোট দিতে চান চ্যান্সেলর ওলাফ শলত্স। কিন্তু বিরোধীরা দেরি করতে চান না। প্রধান বিরোধী দল সিডিইউর নেতা ফ্রিডরিখ মেরজের সঙ্গে চ্যান্সেলর ওলাফ শলেসর বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। তারপর মেরজ জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের মধ্যে একঘণ্টা ধরে কথা হয়।

মনে করা হচ্ছে, স্টাইনমায়ারের সঙ্গে মেরজের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। আরেক বিরোধী দল এএফডি-ও অবিলম্বে নির্বাচন চেয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু জানা যায়নি। প্রেসিডেন্ট স্টাইনমায়ার এফডিপির তিন মন্ত্রীকে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছেন।

এক দিন আগেই চ্যান্সেলর শলত্স এফডিপি নেতা ও অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়ান লিন্ডনারকে বরখাস্ত করেন। তারপর এফডিপির দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। পরিবহনমন্ত্রী ফলকার উইসিংকে এফডিপি-ই পূর্ণ মন্ত্রী করেছিল। তবে তিনি দল ছেড়েছেন। তাকে এখন শলত্স বিচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছেন।

শলত্স মার্চের শেষের দিকে নির্বাচন চাইছেন। কিন্তু স্থায়িত্বের প্রশ্ন তুলে বিরোধী নেতা মেরজ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচন চান। জানা গেছে, মেরজ শলত্সকে বলেছেন, এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও তার সঙ্গে বৈঠক করবেন না। কিন্তু শলত্স অবিলম্বে নির্বাচন চাইছেন না। তিনি একটু সময় নিয়ে তার দলকে সংগঠিত করে নির্বাচনে যেতে চান। 
সংবাদ সংস্থা ডিপিএ জানিয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলত্স আগামী বুধবার বুন্ডেস্টাগে তার পরিকল্পনার কথা জানাবেন। ক্ষমতাসীন জোটে ভাঙন ও অর্থমন্ত্রী লিন্ডনারকে বরখাস্ত করার পর এটাই হবে জার্মানির পার্লামেন্টে শলেসর প্রথম বিবৃতি। শলত্স জানিয়েছেন, তিনি জানুয়ারিতে আস্থাভোট নিতে চান। তবে জার্মানির ভোটদাতারা অবিলম্বে নির্বাচন চান বলে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে। —ডয়চেভেলে 

ইত্তেফাক/এসআর