উদ্বিগ্ন অভিভাবক!

রায়পুরে হাত বাড়ালেই মাদক

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৫:৩৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজলোর গ্রামে গ্রামে মাদকের নীল ছোবলে ভাসছে তরুণ সমাজ। উপজলোর পৌর শহরসহ গ্রামে গ্রামে ঢুকে পড়েছে মাদক। পৌর শহরসহ বশে কয়েকটি জায়গায় প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা হচ্ছে। এই মাদক বেচাকেনায় জড়িয়ে পড়ছে এলাকার তরুণরা। এতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।

শহরের মধ্য খেজুরতলা, সাবেক কমিশনার নুরু খাঁর বাড়ির আশপাশ এলাকা, টিসি রোড, শ্রমিক বিড়ি ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এলাকা, মহিলা কলেজ, বাঁশরী সিনেমা হল এলাকা, মুচিপট্টি, পৌরভবন সংলগ্ন এলাকা, মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ আলম সড়কের মাথা, সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকা, পীর ফজলুল্লা সড়কের এসপি সার্কেল অফিসের পেছনের গলি, বাস-স্ট্যান্ড এলাকা, বকসী বাড়ির দিকে যেতে কাঞ্চনপুর রোড, ফিস হ্যাচারির সামনে, মধুপুরের কসাই পট্টি, উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের বাংলা বাজার, ঝাউডগী, মতি মেম্বারের গোঁজা, হায়দরগঞ্জ রমিচ উদ্দিন স্কুল সংলগ্ন এলাকা ও মিতালী বাজার মাদকরে অন্যতম স্পট।

এসব এলাকায় প্রায়ই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের বিভিন্ন বিভাগ অভিযান চালাচ্ছে। এতে মাদকদ্রব্যসহ মাদকসেবী, মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করা হলেও থামছে না মাদক চোরাচালান ও সেবন। উল্লেখিত স্পটগুলোতে গাঁজা, ফেন্সিডিল, মদ, ইয়াবা বিক্রি হচ্ছে হরহামেশাই। তবে বহন সুবিধাজনক হওয়ায় ইয়াবার বেচাকেনা সবচেয়ে বেশি। পৌর শহরসহ গ্রামে গ্রামে চলছে নীরবে ইয়াবার সেবন। এদের মধ্যে অধিকাংশই উঠতি বয়সী।

পরিবেশ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘মাদকের নীরব বাণিজ্যের’ কারণে সুস্থ সামাজিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। পুলিশের কর্মকর্তারা নতুন এলেই কমে যায় মাদকরে বিকিকিনি কিন্তু ক’দিন যেতে না যেতেই মাদকসেবী আর বিক্রেতাদের আনাগোনায় ভদ্র মানুষের চলাচল দায় হয়ে পড়ে।’

রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলনে, শহরে মাদক বেচাকেনার বেশকিছু স্পট পুলিশ চিহ্নিত করেছে। অনেকে ক্ষেত্রে দেখা যায়, পুরাতন মাদক কারবারিরা কারাগার থেকে বেড়িয়ে আবার মাদকে জড়িয়ে পড়ে। তবে প্রতিনিয়ত মাদক-বিরোধী অভিযানে এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মাদক সেবন ও বিক্রি রোধে সকলের সহযোগিতা কাম্য বলে জানান তিনি।

ইত্তেফাক/এএইচপি