ঢামেকে চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা, সেই পাপিয়া কারাগারে

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৪, ২১:৫৩

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তার সেজে প্রতারণার মাধ্যমে রোগীর কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পাপিয়া আক্তার স্বর্ণাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৮ নভেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

অপরদিকে আসামি ২৮ সপ্তাহের গর্ভবতী হওয়ায় রিমান্ডের আবেদন বাতিলপূর্বক জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল হোসেন তার রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১৩ নভেম্বর আমার স্ত্রীর টিউমারের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে আসি। হাসপাতালে পাপিয়া আক্তার স্বর্ণার সঙ্গে দেখা হলে তিনি নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দেন। তিনি টিউমারের অপারেশন বাবদ ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। তার পোশাক ও বাহ্যিক বেশ দেখে তাকে ডাক্তার মনে হওয়ায় প্রাথমিকভাবে তাকে ২৮ হাজার টাকা দেই। এরপর হাসপাতালের তৃতীয় তলায় স্বর্ণা আমাদের ভর্তি করান। কিন্তু ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত আমাদের চিকিৎসা হয়নি। এ দিন আমাদের কাছ আরও ২ হাজার টাকা নেওয়ার সময় ডিউটি ডাক্তার দেখে ফেলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে আমি সব ঘটনা বলি। তারা জানান পাপিয়া আক্তার স্বর্ণা কোনো ডাক্তার না। আমি প্রতারণার স্বীকার হয়েছি বুঝতে পেরে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা পুলিশে খবর দেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ পাপিয়াকে আটক করে। এ ঘটনয় গত ১৭ নভেম্বর নুর আলম বাদী হয়ে মামলা করেন।

ইত্তেফাক/এসকে