সংবাদপত্রের আলোচিত খবর

‘ঘুস লেনদেনের বিশাল নেটওয়ার্ক ইসিতে’

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৫৩

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। সেইসব খবর থেকে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।

ইত্তেফাক

জনগণ যাতে সকল ক্ষমতার মালিক হতে পারেন তেমন দেশ গড়তে চাই

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, 'মুক্তিযোদ্ধারা বৈষম্যহীন, শোষণহীন, কল্যাণময় এবং মুক্ত বাতাসের যে স্বপ্ন নিয়ে রাষ্ট্রকে স্বাধীন করেছিলেন, আমি তাদের সেই স্বপ্ন পূরণে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা এখন থেকে বাংলাদেশকে এমনভাবে গড়তে চাই-যেখানে সত্যিকার অর্থে জনগণই হবে সকল ক্ষমতার মালিক।' 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী দেশের জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পরবর্তী সময় এবং সংকটকালে সব সময় সশস্ত্র বাহিনী দেশের জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সশস্ত্র বাহিনী আবারও দেশের জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

মানবজমিন

‘দৃশ্যপট পাল্টায় এভাবেই!’

গেল অনেকগুলো বছর খালেদা জিয়ার জীবন বলতে ছিল কারাগার, বাসা, হাসপাতাল। এই ছকের বাইরে দীর্ঘদিন পর বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় মঞ্চে দেখা গেল তাকে। এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে।

তারা দু’জন কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি বসে কথা বলেন। ছাত্র আন্দোলনের নেতা উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নাহিদ ইসলাম, মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তখন অনেকে ভাবছিলেন বছর দুয়েক আগে তাদের নিয়ে শেখ হাসিনার করা একটি মন্তব্যের কথা। ২০২২ সালের ১৮ই মে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল আওয়ামী লীগ।

সেদিনের বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “একটি এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকে পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে তোলা উচিত।” শেখ হাসিনা আরও বলেন, “খালেদা জিয়া বলেছিল যে, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না। চড়লে ভেঙে পড়বে। তাদেরকে কি করা উচিত? পদ্মা সেতুতে নিয়ে যেয়ে, ওখান থেকে পদ্মা নদীতে টুস করে ফেলে দেয়া উচিত।” ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং খালেদা জিয়াকে পদ্মা নদীতে ফেলে দিতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু রাজনীতির মঞ্চ কখনো কখনো রোমাঞ্চকর এবং নিষ্ঠুর।

প্রথম আলো

‘আস্থা রাখতে চায় দলগুলো’

অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) প্রথম আলোকে বলেছেন, মানুষ যাতে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

পাঁচজনের নির্বাচন কমিশনে সিইসি নাসির উদ্দীনসহ তিনজনই সাবেক সচিব। একজন সাবেক বিচারক ও সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা একজন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাদের নিয়োগের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

বিএনপি ও এর মিত্র দলগুলো দ্রুত নির্বাচন কমিশন গঠন করে ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তাগিদ দিয়ে আসছিল। এবারে নবগঠিত নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে চায় বিএনপিসহ বিভিন্ন দল। বিএনপির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে দেশ নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল। এখন এই বার্তা গেল জনগণের কাছে। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা জোট গণতন্ত্র মঞ্চের দুটি দলের নেতারা এই কমিশনের ওপর আস্থা রাখার কথা বলেছেন। তবে ওই জোটের আরেক নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি জানান, নতুন নির্বাচন কমিশনে প্রত্যাশিত কেউ নেই।

জামায়াতে ইসলামীর প্রত্যাশা তুন কমিশন অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে আস্থার প্রমাণ দেবে। গণ অধিকার পরিষদের (একাংশ) সভাপতি নুরুল হক বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার নিশ্চয়ই অনেক ভেবেচিন্তে এই কমিশন করেছে। আমরা তাদের ওপর আস্থা রাখতে চাই, আমরা তাদের স্বাগত জানাই।’

আজকের পত্রিকা

ভোটের পথে আরও এক ধাপ

নির্বাচন কমিশনে আড়াই মাসের শূন্যতা কাটল অবশেষে। গতকাল বৃহস্পতিবার অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, সাবেক যুগ্ম সচিব তহমিদা আহমদ এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সার্চ কমিটির প্রস্তাব করা নামের তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি এই পাঁচজনকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশনের অধীনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আগামী রোববার কমিশনের সদস্যরা শপথ নেবেন।

যুগান্তর

‘ঘুস লেনদেনের বিশাল নেটওয়ার্ক ইসিতে’

নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন, স্মার্ট এনআইডি কার্ড প্রিন্টসহ জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত অন্যান্য সেবার নামে কোটি কোটি টাকা ঘুস লেনদেনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ ও নগদ) মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সদস্যদের মাঝে এ ঘুস লেনদেন হয়েছে।

নেটওয়ার্কে আছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও বহিরাগত দালাল। হাজার হাজার এনআইডির তথ্য সংশোধনের নেপথ্যে রয়েছে এ চক্রের সম্পৃক্ততা। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বাইরে কী পরিমাণ নগদ টাকা লেনদেন করেছেন, এর হিসাব পাওয়া যায়নি।

তবে একটি এনআইডির তথ্য সংশোধনেই এক লাখ ১৫ হাজার টাকা ঘুস নেওয়ার তথ্য মিলেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নেটওয়ার্কের এক সদস্য তার ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে বেতনের টাকা ছাড়াই দুই কোটি ১২ লাখ টাকা লেনদেন করেছেন। অথচ তিনি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের ১৯ হাজার টাকা বেতনের একজন কর্মচারী। ওই দুই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকার ভাগ গেছে অন্তত ১১ জন কর্মচারীর অ্যাকাউন্টে।

আরেক কর্মচারীর ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাওয়া গেছে অর্ধকোটি টাকা লেনদেনের তথ্য। তিনিও টাকার ভাগ দিয়েছেন এসব কাজে যুক্ত অন্তত ছয়জনকে। 
একইভাবে আরও কয়েকজনের ব্যাংক হিসাবে বেতন ছাড়াই বড় অঙ্কের লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকজন কর্মচারী ঘুস নেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

‘রাজধানীজুড়ে তাণ্ডব ভাঙচুর’

তিন দিনের মধ্যে ঢাকায় ব্যাটারি রিকশা বন্ধে দেওয়া হাইকোর্টের নির্দেশের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে তাণ্ডব ও ভাঙচুর চালিয়েছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা। এতে বন্ধ হয়ে যায় সড়কে যানবাহন চলাচল, শহরজুড়ে তৈরি হয় তীব্র যানজট। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। 
রিকশাচালকদের অবরোধে সাময়িক বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল, বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ট্রেনের শিডিউল।

সকাল ১০টার দিকে মহাখালী রেলগেট অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে ঢাকা থেকে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের। ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা আগারগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। মহাখালীতে সেনাকল্যাণ সংস্থার (এসকেএস) শপিং মল এবং সিটি ব্যাংকের এটিএম বুথ ভাঙচুর করেন। মিরপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষুব্ধ রিকশাচালকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘটে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায়।

কালবেলা

কমলাপুর আইসিডি থেকে গায়েব ৫শ কনটেইনার!

কমলাপুর ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে (আইসিডি) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রায় ৫০০ কনটেইনারের হিসাব মিলছে না। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এসব চালানের আগামপত্র (বিল অব এন্ট্রি) দাখিল হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এতে বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ তথ্য। উচ্চ শুল্কের কসমেটিকস থেকে এলইডি লাইটসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য ছিল বলে ধারণা গোয়েন্দাদের। তারা বলছেন, কর ফাঁকি দিতে এসব কনটেইনারের বড় অংশ গোপনে খালাস করা হয়েছে। এরই মধ্যে কাস্টম হাউস আইসিডি কমলাপুরের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির তদন্তেও মিলছে না পূর্ণ হিসাব। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কাস্টম হাউস আইসিডি কমলাপুরের দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা অনেক কনটেইনারের বিল অব এন্ট্রি দাখিল না হওয়ায় তদন্তে নামে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে ৪৯৫টি বিল অব এন্ট্রি কাস্টমসের কেন্দ্রীয় সার্ভার অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডে (আমদানি-রপ্তানির শুল্ক ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার) দাখিল করা হয়নি। সাধারণত একটি কনটেইনারে একটি বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা হয়। এতে পরিষ্কার যে, গত সাত বছরে ৪৯৫টি কনটেইনারের হিসাব মিলছে না। প্রশ্ন উঠেছে, আমদানি করা এসব পণ্য তাহলে গেল কোথায়। এই পণ্যের খোঁজে কাস্টম হাউস আইসিডি কমলাপুরের কমিশনার ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় শুল্ক গোয়েন্দা। আর শুল্ক গোয়েন্দার চিঠি পেয়ে যৌথভাবে কাজ শুরু করে কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাতেও কোনো সুরাহা মিলছে না। এসব কনটেইনারের একটি বড় অংশ গোপনে খালাস হয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। উচ্চ শুল্কের এসব পণ্যে শত শত কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা।

বণিক বার্তা

‘যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে ঘুস ও প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত আদানি, বাংলাদেশে কী হবে’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতীয় ধনকুবের আদানি গ্রুপের চেয়ারপারসন গৌতম আদানি ও তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফেডারেল কৌঁসুলিরা ঘুস ও প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ পেতে ভারতের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুস প্রদান এবং এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের কাছে তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়েও বিভিন্ন সমালোচনা ও অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় আদানির সঙ্গে সম্পাদিত অসম বিদ্যুৎ চুক্তি বাতিলের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। উচ্চ আদালত থেকেও এ চুক্তি পর্যালোচনার নির্দেশনা এসেছে। ঠিক এমন মুহূর্তে মার্কিন আদালতে আদানির অভিযুক্ত হওয়ার বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা

 

ইত্তেফাক/এএম