কক্সবাজারের পেকুয়ায় ডাম্প ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পেকুয়া-বাঁশখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পেকুয়ার টৈটং ইউনিয়নের হাজী বাজারের পাশে বটগাছ তলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, কক্সবাজারের পেকুয়ার টৈটং ৭নং ওয়ার্ডের ধনিয়াকাটার মৃত সৈয়দুল আলমের ছেলে সিএনজি চালক মনিরুল মন্নান (২২), মগনামা সোনালী বাজার এলাকার বজল আহমদপর ছেলে আব্দুর রহমান (৩৫), চট্টগ্রামের হাটহাজারীর সমিতির হাট মধ্য মাদার্শার আলীশাহ ফকিরের বাড়ির মুন্সি মিয়ার ছেলে মো. ফিরোজ আহমদ (৪৯) তার স্ত্রী শাহিন আক্তার(২৯), তাদের ৬ মাস বয়সী শিশু সন্তান জাহেদুল ইসলাম। বাকি নিহতরা সকলে সিএনজি যাত্রী।
আহত অপর যাত্রী নারায়ণগঞ্জের সেনারঘাটের নুরুল ইসলামের ছেলে আল আমিন (৩৭) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আরেক আহতকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ায় তার নাম পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও ট্রাফিক পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে পেকুয়া হতে একটি নাম্বারহীন সিএনজি যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। পেকুয়া-বাঁশখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের টৈটংয়ের হাজী বাজারের পার্শ্বে মৌলভী বাজার রাস্তার মাথা বটগাছ তলা নামক স্থানে সিএনজির সাথে পেকুয়ামুখি একটি দ্রুতগামী ড্রাম ট্রাকের (চট্ট মেট্রো-শ- ১১-৪৪৫৯) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা স্বামী-স্ত্রীসহ চার যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। সিএনজিতে থাকা অপর দুই যাত্রীকে আশংকাজনক অবস্থায় নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশু জাহেদুলও মারা যান। অপর আহত যাত্রীদের স্থানীয় ও চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দুর্ঘটনার পর ডাম্পার ও দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া টেক্সিটি পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তবে, ডাম্পারের চালক পলাতক রয়েছেন।
