পাবনার চাটমোহর উপজেলার কামালপুর বাজারের পাশে চন্দ্রাবতী নদীর ওপরের সেতুটির মাঝখানে ভেঙ্গে গেছে। ফলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, যেকোন মূহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। এলাকার শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালক, যাত্রী, পথচারীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলার ব্যস্ততম এই সড়কের এই সেতুটি ভেঙে গেলেও সংস্কারে কর্তৃপক্ষের কোন নজর নেই বলে অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।
সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, চাটমোহর উপজেলার কামালপুর, ধানবিল, দয়রামপুর, বামনগ্রাম, কাঠালবাড়ী, হোগলবাড়ী, খৈরাস ও পার্শ্ববর্তী আটঘরিয়া উপজেলার পারখিদিরপুর, ভরতপুর, রাঘবপুর, মথুরানগর, সোনাকান্দর গ্রামের মানুষের চলাচজর জন্য এই সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কামালপুর বাজারের ব্যবসায়ী খালেক, আব্দুল কাদের, আলম সরকার বলেন, প্রায় ১৫-২০ টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে এই সেতু দিয়ে। কৃষিপ্রধান এই এলাকার কৃষকরা ঝুঁকি নিয়েই ফসল আনা নেওয়া করে। যেকোন মূহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা।
অটো চালক ওমেদ আলী বলেন, প্রতিদিন ভাঙা ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অটো রিকশা, অটোবাইক, মোটরসাইকেল, ছোট বড় ট্রাক,যাত্রী ও মালামাল নিয়ে চলাচল করে। অনেক সময় গাড়ি উল্টে যাত্রীরা গুরুত্বর আহত হয়। গাড়ির অনেক ক্ষতি হয়।
কামালপুর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বারেক বলেন, সেতুর মাঝখানের অংশ ধসে পড়ায় পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও মালামাল পরিবহন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সেতুটি দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীসহ আমি ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি দেখে এসেছি। ইউএনও সেতুটি দ্রুত সংস্কার করার কথা বলেছেন। খুব দ্রুতই এই সমস্যা সমাধান করা হবে বলে জানান তিনি।
