নববর্ষে ফিলিস্তিনের সমর্থনে ইস্তাম্বুলে লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৫, ২১:৩৯

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে ইস্তাম্বুলের গালাতা সেতুতে জড়ো হয়েছেন সাড়ে চার লাখেরও বেশি মানুষ। নববর্ষের প্রথম দিনে ৩০৮টি সংগঠনের জোট 'ন্যাশনাল উইল প্ল্যাটফর্ম' এ সমাবেশের আয়োজন করে।

আনাদোলু নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ঐতিহাসিক শহর এবং আশপাশের মসজিদগুলো থেকে ভোরের প্রার্থনার পর শীতের কুয়াশা ভেদ করে তুর্কি ও ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে মিছিলে নামেন সমাবেশে আগতরা।

সমাবেশে জড়ো হওয়ার আগে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুসহ বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের জন্য প্রার্থনা করেন। ছবি: সংগৃহীত

চলমান নৃশংসতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের দাবিতে আইকনিক গোল্ডেন হর্নজুড়ে বিস্তৃত সেতুতে জড়ো হওয়ার আগে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুসহ বিক্ষোভকারীরা ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধের জন্য প্রার্থনা করেন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সেতুর মাঝখানে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তুর্কি ও ফিলিস্তিনি পতাকার সঙ্গে তুর্কি ও ইংরেজিতে 'গাজায় গণহত্যা বন্ধ কর' লেখা একটি বিশাল ব্যানারও দেখা গেছে।

সমাবেশস্থলের পাশে সমুদ্রে নৌকার লোকজনও বিক্ষোভকে সমর্থন জানিয়ে হাত নাড়েন। এছাড়া প্রেসের জন্য ব্যবস্থা করা একটি প্ল্যাটফর্মে 'ফর ফেয়ার ফিউচার' ব্যানার দেখা যায়। অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন তুর্কি নাগরিক, বিদেশি সংগঠনের সদস্য এবং মানবাধিকার কর্মীরা বক্তব্য দেন।

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে ইস্তাম্বুলের গালাতা সেতুতে জড়ো হন লাখ লাখ মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

সমাবেশে একটি তুর্কি ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বিলাল এরদোগান গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান। তিনি শিশু, শিশু, নারী, বৃদ্ধ, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও ত্রাণকর্মীদের হত্যার পাশাপাশি স্কুল, মসজিদ ও গির্জায় ইসরায়েলের হত্যার কথা স্মরণ করেন।

গাজায় পশ্চিমাদের 'মুখোশ' খসে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোথায় মানবাধিকার? শিশু অধিকার কোথায়? নারীর অধিকার কোথায়? কোথায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা? গাজা ও পাশ্চাত্যের সব মূল্যবোধ মরে গেছে।

ইত্তেফাক/এসকে