ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজার একটি ‘মানবিক অঞ্চলে’ বিমান হামলা চালিয়ে উপত্যকাটির পুলিশ বাহিনীর প্রধান ও তার ডেপুটিসহ অন্তত ৫২ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল।
মেডিকেল সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) আল জাজিরাকে জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসের নিকটবর্তী উপকূলীয় এলাকা আল-মাওয়াসির 'মানবিক অঞ্চলে' একটি তাঁবুতে বড় হামলায় ১২ জন নিহত হন। এই হামলায় প্রাণ হারান গাজার পুলিশ বাহিনীর প্রধান মাহমুদ সালাহ ও তার ডেপুটি হুসাম শাহওয়ান।
মাহমুদ সালাহ একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ছিলেন। দীর্ঘ ৩০ বছর এই বাহিনীতে কাটিয়েছেন। বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন ছয় বছর।
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের জনগণের সেবায় তাদের মানবিক ও জাতীয় দায়িত্ব পালন করছিলেন। ইসরায়েল 'বিশৃঙ্খলা' ছড়াচ্ছে এবং মারাত্মক হামলার মাধ্যমে গাজায় 'মানবিক দুর্ভোগ আরও গভীর' করছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশ বাহিনী একটি বেসামরিক সুরক্ষা বাহিনী। তারা কেবল নাগরিকদের সেবা প্রদানের জন্য কাজ করে।
হামলার পর একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, জ্বলন্ত তাঁবু, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ এবং বাস্তুচ্যুতদের জন্য শিবিরের বাসিন্দারা যেখানে কাপড় শুকান, সেখানে জীবিতদের সন্ধান চালানো হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ আল-আকসা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও আজ গাজার আরও অনেক স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বিশেষ করে খান ইউনিসের পূর্বে বানি সুহেইলায় দু'জন, শহরের পশ্চিমে শাতি শিবিরে তিনজন এবং উত্তরে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছে।
