বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও স্যালাইন মিলছে না শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। রয়েছে জরুরি ওষুধের সংকট।
শরণখোলা উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশু রোগীর ভিড় বাড়ছে। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন অনেকেই। তবে ডায়রিয়া রোগীর জন্য প্রয়োজনী ওষুধ ও স্যালাইন না থাকায় বিপাকে পড়ছেন তারা। রোগীর জন্য বাজার থেকে স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোজিনা বেগম, দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের চম্পা বেগম, রাজাপুর গ্রামের ছাত্তার হাওলাদারসহ অনেকে।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আশফাক হোসেন বলেন, হাসপাতালে ৬ মাস ধরে কলেরা স্যালাইন সরবরাহ নেই। ডায়রিয়া চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ওষুধেও অভাব রয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন হাসপাতালের বহির্বিভাগে ১০/১৫ জন করে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুরোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। এক সপ্তাহে শতাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নানা সংকটের পরও রোগীদের সাধ্যমত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডা. আশফাক।
শরণখোলা উপজলো স্বাস্থ্য ও পরিবার পরকিল্পনা র্কমর্কতা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস বলেন, প্রচণ্ড শীতে শিশুরা রোটা ভাইরাসজনিত কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। শীতের সময় থেকে ডায়রিয়া প্রার্দুভাব ঘটে। হাসপাতালে ওষুধ ও স্যালাইনের সংকট রয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকা থেকে ওষুধ সরবরাহ পাওয়া গেছে।

