কাশিমপুর কারাগার থেকে ১৬ বিডিআর জওয়ান মুক্তির পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে পিলখানা হত্যাকাণ্ড মামলায় ৪১ জন বিডিআর সদস্য মু্ক্তি পেয়েছেন। মুক্তির খবরে সকাল থেকে স্বজনরা কারা ফটকে ভিড় জমিয়েছেন। তাদের হাতে দেখা গেছে ফুলের তোড়া। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে দুপুরে তারা মুক্তি পায়।
সকাল ৮টায় কারা ফটকে অপেক্ষারত দেখা যায় ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরের বিডিআর জওয়ান মুনসুর আলীর মেয়ে মালিহা জান্নাতুনকে। তার বাবা যখন জেলে গেছেন মালিহা জান্নাতুনের বয়স তখন ৩ মাস। মালিহা জান্নাতুন রনহাট্রা চৌহদ্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মালিহা জান্নাতুন বলেন, আমার মা জামনুর নাহারসহ খালাদের নিয়ে সকাল থেকে জেলখানার সামনে অপেক্ষায় আছি। আমার বাবা ১৬ বছর পর জেল থেকে মুক্তি পাওয়ায় আমরা অনেক আনন্দিত। আমার বাবা এখন মুক্ত বাতাসে বসবাস করবেন। আমরা বাবাকে নিয়ে ঘুরতে যাব।
মুক্তি পাওয়া মুনসুর আলী বলেন, আমি নির্দোষ বলে মুক্তি পেয়েছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া ১৬ বছর পরে মুক্তি পেয়েছি। এখন মুক্ত বাতাসে থাকতে পারব।
অপেক্ষায় থাকা জওয়ান মো. শামসুদ্দিনের বোন মনোয়ারা বেগম সকাল থেকে ভাইয়ের জন্য কারাগারে মূল ফটকে ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি বলেন, ১৬ বছর পর ভাই মুক্তি পাওয়ায় আমরা অনেক খুশি। তাদের বাড়ি ভোলা জেলায়।

