অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিনে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই অঞ্চলটিতে ইসরায়েলি আগ্রাসনের মধ্যে এই মৃত্যুর খবর এলো।
আল জাজিরা জানিয়েছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পশ্চিম তীরে একটি বড় হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে মোট নিহতের সংখ্যা ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) গভীর রাতে জেনিন শরণার্থী শিবিরের ভেতরে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এ সময় তাদের গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন।
ওয়াফা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, নিহত দুই ব্যক্তি হলেন - ইয়াজান হাতেম আল-হাসান এবং আমির আবু হাসান।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, পৃথক ঘটনায় জেনিনের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন মধ্যবয়সী ফিলিস্তিনি নারী আহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার একই এলাকায় দুই ফিলিস্তিনি যুবক নিহত হয়। বুধবার রামাল্লায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বেথলেহেমের দক্ষিণে আল-খাদের শহরে ইসরায়েলি গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি শিশু আহত হয়। বেথলেহেমের পূর্বে আল-উবাইদিয়া শহরে অভিযানের সময় ইসরায়েলি গুলিতে ২৩ বছর বয়সী একজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
এছাড়াও ইসরায়েলি বাহিনী আল-খাদারের বাওয়াবা এলাকায় হামলা চালায় এবং কাঁদানো গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ফলে বেশ কয়েকজন বেসামরিক লোক শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফা বলেছেন, পশ্চিম তীরে যা ঘটছে, তা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের ভিত্তি ধ্বংস করার একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রচেষ্টা। আমরা হত্যা, আটক, পরিকাঠামো ধ্বংস এবং বাড়িঘর ধ্বংসের পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম তীরের গভর্নরেটে সামরিক অনুপ্রবেশ প্রত্যক্ষ করছি। এর অবসান ঘটাতে জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের প্রয়োজন।
