কক্সবাজারের টেকনাফে আইন-শৃংখলা বাহিনী ও সীমান্ত রক্ষী বিজিবির সাথে পৃথক 'বন্দুকযুদ্ধে' নারীসহ ৩ মাদকপাচারকারি নিহত হয়েছে। এতে পুলিশি-বিজিবির সদস্যরা আহত হয়েছে। বুধবার ভোর ও মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। অপর দিকে পাহাড়ে গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ থাকা এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার জাদিমোরা সংলগ্ন শিকল ঘেরা পাহাড় এলাকায় বুধবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে মাদককারবারিদের গোলাগুলির ঘটনায় পুলিশ সদস্যরা আহত হয়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ছমি উদ্দিনের স্ত্রী হামিদা বেগমকে (৩২) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা মাদকের চালান খালাসের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমোরা সংলগ্ন শিকল পাড়ায় অবস্থান নেয়। এসময় মাদককারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গুলিবর্ষণ করে। এতে বিজিবির নায়েক মোঃ রেজাউল (৪০) সিপাহী মোঃ মতিউর রহমান (২৪) ও ইমরান হোসেন (২৩) আহত হন।
বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। মাদককারবারিরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও ৩ রাউন্ড কার্তুজসহ যশোরের শুক্কর আলীর ছেলে জাবেদ মিয়া (৩৪) ও চাঁদপুরের রেজোয়ান সওদাগরের ছেলে আসমাউল সওদাগরকে (৩৫) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৩.৯৩
তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহত বিজিবি জওয়ানদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাবেদ ও আসমাউলকে কক্সবাজার রেফার করা হয়। কক্সবাজার যাওয়ার পথেই তারা মারা যান। মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, হ্নীলা রঙ্গিখালী পাহাড়ে মঙ্গলবার সকালে গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ থাকা স্থানীয় মৃত আবদুল সাত্তারের ছেলে আবুল হাশেমের (৫০) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন ধারণা করছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন।
ইত্তেফাক/অনি/আরকেজি
