মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদে চাকরি, ১৩ বছর পর গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল

আপডেট : ০২ মার্চ ২০২৫, ২১:০৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধার নাতি হওয়ার মিথ্যা পরিচয়ে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি করার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

শুক্রবার (২ মার্চ) রাতে আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে দেশে ফেরার পথে আখাউড়া স্থলবন্দরে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ১৩ বছর পর তদন্তে প্রতারণার বিষয়টি উদঘাটিত হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (২ মার্চ) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে ওই পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মো. সুমন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. মোজাফফর হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আখাউড়া উপজেলার মোগড়া গ্রামের বাসিন্দা নান্নু মিয়ার ছেলে মো. সুমন ২০১২ সালে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পরীক্ষায় অংশ নেন। মুক্তিযোদ্ধার নাতি কোটায় চাকরি পেতে তিনি তার প্রতিবেশী মো. হোসেন মিয়ার মুক্তিযোদ্ধা সনদ দাখিল করেন। প্রকৃতপক্ষে হোসেন মিয়া তার দাদা নন।

কুমিল্লার বুড়িচং থানায় কর্মরত কনস্টেবল সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত চলাকালেই গত বছরের ১ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে তিনি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেন। ২১ ডিসেম্বর প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এ প্রতারণার বিষয়ে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর স্থানীয় যুবক মো. ফরহাদ মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা সার্কেল) মো. দেলোয়ার হোসেনকে বিষয়টির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

ইত্তেফাক/এসএএস