তিনদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে বুধবার দিবাগত রাতে দামুড়হুদার ডাকাত ও বোমার কারিগর হাকিম (৪৬) মারা গেছে। সে ধানঘরা গ্রামের বকর আলীর ছেলে। বোমার আঘাতে আহত হওয়ার পর রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলো। সেখানেই সে মারা যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, গত সোমবার দুপুরে হাকিম (৪৬) তার নিজের বাড়িতে বসে বোমা তৈরি করছিলো। এ সময় বোমার বিস্ফোরণে সে ক্ষতবিক্ষত হয়। এ বিস্ফোরণে তার ঘরের টিনের চালের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, দামুড়হুদা থানার ওসি শুকুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা হাকিমকে মুমূর্ষু অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে অবস্থার অবনতি হ হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সে মারা যায়।
পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে একই এলাকার আসাদুল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ঘটনার পর থেকে হাকিমের স্ত্রী ফরিদা খাতুন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্য সহযোগীরা গা ঢাকা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে লাশ আসার পর গ্রামের বাড়ির গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাব্বত হোসেন জানান তার স্ত্রীসহ অন্য সহযোগীদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
ইত্তেফাক/নূহু
