কুড়িগ্রামে বন্যার পানি ধীর গতিতে নামতে শুরু করেছে।বেড়েছে দুর্ভোগ। এখনও ঘরে ফিরতে পারছেন না দুর্গতরা। বন্যায় গত ১০ দিনে ৫৭টি ইউনিয়নের ৮৯৪টি গ্রামের প্রায় দুই লাখ পরিবারের আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। বানভাসিদের জন্য অপ্রতুল ত্রাণের কারণে বিব্রত জনপ্রতিনিধিরা।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা যায়, বন্যায় ২০ হাজার হেক্টর ফসলী জমি, পাঁচশ কিলোমিটার রাস্তা, ৪০ কিলোমিটার বাঁধ ও ৪১টি ব্রিজ/কার্লভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৬৪ হাজার মানুষ ১৮৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৯ হাজার ৭৩৪টি।
শুক্রবার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১০৯ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ১৭ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: পানির নিচে রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু
কুড়িগ্রামের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান জানান, বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জেলা প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত আটশ মেট্রিক টন জিআর চাল, ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, তিন হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ঈদুল আযহা উপলক্ষে ছয় হাজার ৪২৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/অনি
