ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের ভাই, বোন, নিকট আত্মীয়সহ ঘনিষ্ঠ জনদের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। তার ভাইবোন ও ঘনিষ্ঠ জনদের নামে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, জিয়া শুধু নিজের নামেই সম্পদ গড়েননি, ভাইবোন, নিকট আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ জনদের নামেও সম্পদ গড়েছেন। তাদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে দেশের বাইরে বিপুল পরিমান অর্থ পাচার করেছেন।
দুদকের তদন্ত সংশ্লিস্ট কর্মকর্তারা জানান, জিয়াউল আহসানের ৯৯ দশমিক ৯৩ বিঘা জমি, তিনটি ফ্ল্যাট ও পাঁচটি বাড়ি জব্দ এবং নয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানিয়েছে জব্দ হওয়া ফ্ল্যাট ও বাড়ির মধ্যে মিরপুর ডিওএইচএসের ১ হাজার ৪৬০ ও ২ হাজার ১১০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ও উত্তরার ২ হাজার ৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট। বরিশালের কোতয়ালি থানার পৈত্রিক সম্পত্তিতে নির্মিত ৮ তলা নতুন বাড়ি, একই জেলার সদরে থাকা বাগান বাড়ি, পুকুরসহ বাড়ি ও ১ হাজার ২৭০ বর্গফুটের একতলা পুরাতন বাড়ি ও নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৮ শতাংশ জমিতে নির্মিত ৮ তলা ভবন রয়েছে। আর নয়টি ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৯০ হাজার ৫১১ টাকা।
দুদকের তদন্ত সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, গত বৃহস্পতিবার আদেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে আদেশের কপি হাতে পৌঁছেছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ি সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জিয়াউল আহসানের নামে থাকা ব্যাংক হিসেবে লেনেদেন স্থগিত রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিস্ট ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
