যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়ে আদালতে আবেদন করার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ ওঠার পর প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে যৌন অসদাচরণের অভিযোগের তদন্ত চলাকালে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।
জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ তদারকি অফিস এই তদন্ত পরিচালনা করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত করিম খান দায়িত্বে থাকবেন না বলে জানানো হয়েছে।
আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত অ্যাসেম্বলি অফ স্টেটস পার্টিজ-এর প্রেসিডেন্সি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘তদন্তটি চলছে এবং করিম খানের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি প্রসিকিউটররা অফিস পরিচালনা করবেন। আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্মে কোনো ব্যাঘাত হবে না।’
২০২৪ সালের মে মাসে আইসিসির দুই কর্মচারী করিম খানের বিরুদ্ধে আচরণগত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়। এর মধ্যে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এক নারী সহকর্মীর প্রতি খানের অশালীন আচরণের অভিযোগ ওঠে।
তবে করিম খানের আইনজীবীরা এসব অভিযোগ ‘স্পষ্টভাবে মিথ্যা’ বলে দাবি করেছেন। তাকে ছুটিতে পাঠানোর ঘটনা এমন এক সময় সামনে এলো, যখন খান যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।
তদন্ত শেষ হলে, OIOS তাদের প্রতিবেদন আইসিসির প্রেসিডেন্টের কাছে জমা দেবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে আদালতের নিয়ম অনুযায়ী।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুদ্ধাপরাধের প্রসিকিউশন কীভাবে কাজ করে