আইন না মেনে সড়কের পাশে বহুতল ভবন নির্মাণের হিড়িক

আপডেট : ২৩ মে ২০২৫, ১১:২২

নওগাঁর রাণীনগরে সড়কের পাশে অবাধে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন। বিশেষ করে উপজেলার রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের চারপাশে জায়গা না ছেড়েই অপরিকল্পিত ভাবে স্থায়ী ইমারত নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। এতে করে ভবিষ্যতে সড়কটি পুনরায় প্রশস্তকরণ করতে গেলে নির্মাণ করা এই ইমারতগুলো ভেঙ্গে ফেলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ব্যাপক ঝামেলা পোহাতে হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের সিংগারপাড়া মোড়ে (পুঠিয়া স্কুল সংলগ্ন) সড়কের জায়গাজুড়ে আরসিসি পিলার দিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। উপজেলার কাটরাশইন গ্রামের আহসান আলী প্রামাণিকের ছেলে বিদেশ ফেরত মোখলেছুর রহমান। তার দাবি, ক্রয়কৃত জায়গায় সড়ক সংলগ্ন স্থানে এই বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। কিন্তু মহাসড়ক আইন-২০২১ অনুসারে মহাসড়কের ৩৩ফিটের মধ্যে কোন স্থায়ী ইমারত নির্মাণ করা যাবে না। এমন আইনকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে মোখলেছুর রহমান কতিপয় মহলকে ম্যানেজ করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন বলে জানা গেছে।

মোখলেছুর রহমান জানান, পুঠিয়া মৌজায় তার ক্রয়কৃত সাত শতাংশ জায়গার ওপর তিনি দ্বিতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এতে কারো কোন সমস্যা না হওয়ারই কথা। যদি কারো সমস্যা হয় তাহলে সরেজমিনে এসে পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ করে দিয়ে যাক।

আবাদপুকুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস হেনা বলেন, বর্তমানে ব্যস্ততম রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের পাশ দিয়ে অপরিকল্পিত ভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের উৎসব চলছে। বহুতল ভবনগুলো নিয়মমাফিক নির্মাণ করা হচ্ছে কিনা সেই বিষয়টি তদারকি করা খুবই জরুরী। তা না হলে ভবিষ্যতে আবার সড়কটি প্রশস্ত করতে গেলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) শেখ নওশাদ হাসান বলেন, সরেজমিনে গিয়ে তিনি স্থানটি পরিদর্শন করবেন। যদি ওই ব্যক্তি নিয়মানুসারে বহুতল ভবন নির্মাণ করে থাকেন তাহলে কোন সমস্যা নেই। আর যদি নিয়মের বাইরে হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইত্তেফাক/এএইচপি