লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্ত দিয়ে অন্তত ৫৪ নারী-পুরুষ ও শিশুকে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (২৮ মে) ভোরের দিকে একযোগে এসব মানুষকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
তবে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীদের বাধায় তারা এখন অবস্থান করছে কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে ভারতীয় অংশে। এ ঘটনায় সীমান্তগুলোতে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বনচৌকি বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার লুৎফর রহমান বলেন, ২৮ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। এসময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় এলাকাবাসীর চেষ্টায় পুশ-ইনে ব্যর্থ হয়।
এ ঘটনার পর থেকে সীমান্তগুলোতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে উভয় বাহিনী। ফলে পুশ-ইনের শিকার লোকজন ভোর থেকে অবস্থান করছে ভারতীয় অংশের খোলা আকাশের নিচে। বিভিন্ন সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও অবস্থান নিয়েছেন।
বিজিবি আরও জানায়, কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুলে এপারে পাঠানো লোকজন ভারতের আসামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।
লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদি ইমাম সাংবাদিকদের জানান, দূর্গাপুরের চওড়াটারি সীমান্ত দিয়ে ১৩ জনকে ভোরের দিকে পুশ-ইনের চেষ্টা করেন বিএসএফ।
