গত বৃহস্পতিবার বাফুফের পেশাদার ফুটবল লিগ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে সাফ অঞ্চলের ফুটবলারদের লোকাল খেলোয়াড় হিসেবে নিবন্ধন করা যাবে।
একজন বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে আসবেন ভিসা নিয়ে। তিনি বাংলাদেশে এসে কীভাবে বাংলাদেশি হয়ে মাঠে খেলবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না ফুটবল অঙ্গনের মানুষ। একজন বিদেশি ফুটবলার তিনি যদি ভারতের হোন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের, তাকে বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবেই ধরা হয়।
অথচ লিগ কমিটি বলছে, বাংলাদেশের খেলোয়াড় হিসেবে ধরা হবে। অর্থাৎ তপু বর্মন, সুমন রেজা, সাদ উদ্দিন, তাজ উদ্দিনদের মতোই হবেন সুনীল ছেত্রী।
দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশে এই নিয়ম প্রবর্তন করা হয়নি। সম্প্রতি সাফের সভায় আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্য কোনো দেশেও এই রেওয়াজ চালু হয়নি। তার আগেই বাফুফের লিগ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের আওতাধীন দেশসমূহের খেলোয়াড়দের লোকাল খেলোয়াড় নিবন্ধন করা যাবে। এতে নাকি বাংলাদেশে ফুটবলাররাও সাফ অঞ্চলে খেলার সুযোগ পাবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে এমন কোনো উদাহরণ দেখাতে পারেনি লিগ কমিটি। বাংলাদেশের ফুটবলারদের এখন আর ভারত ডাকে না। এই নিয়মটি বাস্তবায়ন হতে পারে কোনো একটি ক্লাবের জন্য।
বাফুফের সদস্য নির্বাহী কমিটির সদস্য, স্ট্যাডিং কমিটি, অ্যাডহক কমিটির কোনো সদস্য ডাগ আউটে দাঁড়াতে পারবেন না। এই নিয়ম ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন উঠেছে বসুন্ধরা কিংস ক্লাবের সভাপতি ইমরুল হাসান নিজেও লিগ কমিটির চেয়ারম্যান, এতে দ্বন্দ্ব তৈরি হয় কিনা। ক্লাবগুলোর মধ্যে এসব নিয়ে ফিসফিসানি রয়েছে হরহামেশা। তাদের কথা হচ্ছে, ইমরুল সাহেব চেয়ারম্যান থাকলে অন্যরা কেন ডাগআউটে দাঁড়াতে পারবেন না।
