ফের ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৫, ১৭:৪০

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগামী ৭ জুলাই ওয়াশিংটন সফরে যাবেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং প্রায় দুই বছর ধরে আটক রাখা বন্দীদের মুক্ত করার প্রচেষ্টা জোরদার করছে ওয়াশিংটন। এরই মাঝে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রির এই সফর। খবর টাইমস অব ইসরায়েল।

ওয়াশিংটন সফরের তথ্য নিশ্চিত করে নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন। তবে নেতানিয়াহুর অফিস সফরের সময়সূচী কিছু জানানো হয়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটা হবে নেতানিয়াহুর তৃতীয়বার ওয়াশিংটন সফর।

১২ দিনব্যাপী ইসরায়েল ও ইরান বিমান যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দেশ দুটি। দীর্ঘদিনের উত্তেজনাকে প্রথমবারের মতো খোলামেলা সংঘাতে রূপ দিয়েছিল। যুদ্ধবিরতি পর এই সফরে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু।

মঙ্গলবার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। ওয়াশিংটন সফরে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ আইনপ্রণেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে নেতানিয়াহুর।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আগামী শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং সোমবার হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, ‌‘অপারেশন রাইজিং লায়নে’ আমাদের বিশাল জয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সফর এসেছে। সফলতা অর্জনের চেয়ে সেটিকে কাজে লাগানোই গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ১২ দিনের অভিযানের পর সিরিয়ার সঙ্গে তেল আবিবের একটি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধের অবসান ও সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ব্যাপক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। তিনি বলেন, বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে আমাদের কয়েকটি বিষয়ের নিষ্পত্তি করতে হবে।

ইত্তেফাক/এমএএস