ঢাকার কেরানীগঞ্জে মুঠোফোন চুরির একটি ঘটনায় থানায় আপস-মীমাংসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাইজুল ইসলাম (৫০) নামের এক কুয়েতপ্রবাসী খুন হয়েছেন। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর পশ্চিমদী এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
গত সোমবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ রাজধানীর ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের জামাতা সবুজ মোল্লা জানান, “আমাদের নির্মাণাধীন বাড়িতে সাতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। সম্প্রতি আমার দুটি মোবাইল ফোন চুরি হলে সন্দেহভাজন হিসেবে দুজন শ্রমিককে থানায় নিয়ে যাই। পরে থানায় বিষয়টি আপস হয়। সন্ধ্যায় শ্বশুর ও আমি একসঙ্গে অটোরিকশায় রওনা দিই। আমি তেঘরিয়া স্ট্যান্ডে নেমে যাই, শ্বশুর একা রাজেন্দ্রপুরের বাড়ির পথে যান। পরে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারি, ঝিলমিল এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে।”
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফাতেমা বেগম দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আকতার হোসেন বলেন, “সন্ধ্যায় তারা থানায় আসেন এবং কথা বলে চলে যান। পরে রাত ৯টার দিকে ৯৯৯ নম্বর থেকে খবর আসে, ঝিলমিল এলাকায় একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশ গিয়ে তাইজুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। মামলাটি তদন্তাধীন এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
