ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁস হওয়া অডিও নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
বুধবার (৯ জুলাই) রাত ৮টা ৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘হাসিনার অডিও এসেছে, ভিজুয়ালও আসবে শীঘ্রই। সত্য প্রকাশিত হবেই।’
এর আগে বিবিসির অনুসন্ধানী ইউনিট ‘বিবিসি আই’ ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিং প্রকাশ করে, যেখানে শেখ হাসিনাকে বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীকে ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি’ দিতে শোনা যায়।
ফাঁস হওয়া ওই অডিও গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে একজন অজ্ঞাত সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে কথোপকথনের সময় রেকর্ড হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।
<iframe src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fmahfuj.alam.49821%2Fposts%2Fpfbid0S9z9mMoyJPzkDyDpcQb2BvdJp34ErTFMEHQxdrLGfxhFUhoAiK7YQE1eVwSCPAJ1l&show_text=true&width=500" width="500" height="189" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share"></iframe>
বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং আন্তর্জাতিক অডিও ফরেনসিক প্রতিষ্ঠান ‘ইয়ারশট’—দুই পক্ষই রেকর্ডিংটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অডিওতে কোনো সম্পাদনার ছাপ নেই, বরং এটি স্বাভাবিক ফোনালাপ, যা সম্ভবত স্পিকারে বাজিয়ে রেকর্ড করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ মানবাধিকার আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরামর্শক টবি ক্যাডম্যান বিবিসিকে বলেছেন, ‘এই রেকর্ডিংগুলো শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার প্রমাণ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এগুলোর সত্যতা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।’
