দগ্ধ হওয়ার ৭ দিনে একে একে মারা গেলেন একই পরিবারের সবাই

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৫, ১০:৪০

পুরান ঢাকার সূত্রাপুরের কাগজি টোলা এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ হয়ে একে একে মারা গেলেন একই পরিবারের পাঁচ সদস্য। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে ঢাজাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সর্বশেষ মারা যান পরিবারের কর্তা রিপন পেয়াদা (৩৫)। এর মধ্য দিয়ে আগুনে দগ্ধ সবাই প্রাণ হারালেন।

এর আগে তার তিন সন্তান—আয়েশা (১), রোকন পেয়াদা (১৪) ও তামিম পেয়াদা (১৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। স্ত্রী চাঁদনী (২৮) গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় গ্রামে নেওয়ার পথে মারা যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রিপনের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তার বাড়ি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায়।

গত ১১ জুলাই দিবাগত রাত ১টার দিকে পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া বাসায় আগুন লাগে। ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে ঘরের সবাই দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

পরিবারটির আত্মীয় জাকির হোসেন জানান, নিচতলার একটি কক্ষে থাকতেন রিপন ও তার পরিবার। আগুনে কক্ষের সবকিছু পুড়ে যায়। দগ্ধদের মধ্যে চাঁদনীর শরীরের ৪৫ শতাংশ, তামিমের ৪২, রোকনের ৬০ ও আয়েশার ৬৩ শতাংশ পুড়েছিল।

ইত্তেফাক/এনএন