যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৫, ০৯:৪৪

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্সির দায়িত্ব পালনকালে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। নিউ ইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর জিও নিউজের।

নিউ ইয়র্কে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে ‘বহুপাক্ষিকতা এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা’ বিষয়ক উন্মুক্ত উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় সভাপতিত্ব করবেন। এই আলোচনায় কূটনৈতিক সম্পর্ক ও মধ্যস্থতার ভূমিকা জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।

এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ফিলিস্তিন প্রশ্ন নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের ত্রৈমাসিক উন্মুক্ত আলোচনাতেও সভাপতিত্ব করবেন তিনি। একইসঙ্গে জাতিসংঘ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-এর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে একটি উচ্চপর্যায়ের ব্রিফিংয়েও সভাপতিত্ব করবেন দার।

ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও দুই-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে তিনি ‘ফিলিস্তিন প্রশ্নের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ও দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও অংশ নেবেন।

সফরকালে তিনি জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিউ ইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে দারের এই সফর পাকিস্তানের বহুপাক্ষিক পরিসরে ক্রমবর্ধমান ভূমিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার বহুমাত্রিক সম্পর্কের সম্প্রসারণের সাক্ষ্য বহন করে।’

উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে। চলতি বছর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সুপারিশ করা হয়। উপপ্রধানমন্ত্রী দারের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি ইতোমধ্যে নরওয়ের নোবেল কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়, দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা এবং কাশ্মীর ইস্যুকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

ইত্তেফাক/এনএন