প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে'র কৌশল-বিষয়ক প্রাক্তন পরিচালক ক্রিস উইলকিন্স মনে করেন, গাজায় যা ঘটছে, সে সম্পর্কে ব্রিটিশ জনমত এই মুহূর্তে রাজনৈতিক মতামতের চেয়ে এগিয়ে। তবে গাজা নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের কোনো পদক্ষেপ না আসার কারণ হলো, 'ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের সম্পর্ক' ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে - এমন ভীতি।
ক্রিস উইলকিন্সের মতে, গাজার সংকট নিরসনে অবদান রাখার উপায় নিয়ে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির একটি প্রতিবেদনে ব্রিটিশ জনমত যে গাজার পক্ষে, সেটির প্রতিফলিত হয়েছে।
তিনি বলেন, 'এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ রাজনীতি কতটা শক্তিহীন...অনেক কিছুর মধ্যে রিপোর্টটিতে এটিও ফুটে উঠেছে। তারা বলছে যে, ইসরায়েল (কথা) শুনছে না এবং এটিই সত্য।'
উইলকিন্সের মতে, গাজা সম্পর্কে যুক্তরাজ্য সরকারের 'প্রতীকী' পদক্ষেপ নিয়ে হয়তো বিকল্প কিছু দেখানোর চেষ্টা করবে। তবে আসল প্রশ্ন হলো, এগুলোর বাস্তবে কোনো প্রভাব পড়বে কি না।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সরকারের উপর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপও রয়েছে।
উইলকিন্স উল্লেখ করেন, তবে চাপ থাকা সত্ত্বেও পদক্ষেপ না আসার পেছনে মূল কারণ হলো 'ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক'। ব্রিটিশ সরকার মনে করে, পদক্ষেপ নিলে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে এবং চাপ তৈরি হতে পারে।
উইলকিন্সের মতে, যুক্তরাজ্য ইসরায়েলে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ পাঠানো বন্ধ করার মতো বড় পদক্ষেপ নিলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এটি ব্রিটিশ সরকার চায় না।
