স্বামী আর ৬ বছরের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে ভালোই চলছিল ইতি আক্তারের (৩২) সংসার। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় থেকে তারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্বামী বিল্লালের সঙ্গে ইতির দূরত্ব তৈরি হয়। দেখা দেয় মনোমালিন্য। স্বামী ও সন্তানের মায়া ভুলে গত ২ মাস আগে ওই যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান ইতি।
প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়ে পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ে করে ২ মাস সংসারও করেন ইতি। ২ দিন আগে প্রথম স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রথম স্বামী বিল্লাল হোসেন (৩২) রুটি তৈরির বেলুন দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ইতি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত ইতি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার মানিক গাজীর মেয়ে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় ইব্রাহিমের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঘটনার পর স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই বিল্লালকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার বিল্লাল পেশায় একজন গাড়ির চালক।
এদিকে নিহত ইতির প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ তাদের ঘর থেকে চিৎকার শুনতে পান তারা। পরে প্রতিবেশীদের কয়েকজন ইতির ঘরের দরজায় টোকা দিলে বেশ কিছুক্ষণ পর বিল্লাল দরজা খুলে দেয়। প্রতিবেশীরা ঘরে প্রবেশ করে দেখেন যে, রক্তাক্ত অবস্থায় ইতি ঘরের মেঝেতে পড়ে আছেন এবং পাশেই স্বামী বিল্লাল বসে রয়েছেন।
এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং বিল্লালকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
