মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির নিহতের সংখ্যা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যে সাম্প্রতিক সংশোধন হয়েছে। আগের হিসাবে নিহতের সংখ্যা ছিল ৩৫, কিন্তু রোববার (২৭ জুলাই) তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪। এই পরিবর্তন নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, যার ব্যাখ্যা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের মরদেহ তালিকাভুক্ত ছিল। তবে পরবর্তীতে ৯ জনের মরদেহ অভিভাবকরা শনাক্ত করে নিয়ে গেছেন। বাকি ৬টি মরদেহ এবং কিছু আংশিক মরদেহের ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেগুলো মিলিয়ে মোট ৫টি মরদেহ শনাক্ত হয়েছে। ফলে সিএমএইচ-এর মৃতের সংখ্যা ১৫ থেকে কমে ১৪ হয়েছে।
সিএমএইচ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিএমএইচে ১৫ মরদেহ দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে নয়টি মরদেহ অভিভাবকরা শনাক্ত করে নিয়ে গেছেন। বাকি ছয়টি মরদেহ ও আংশিক মরদেহের ব্যাগ ছিল। শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। ডিএনএ টেস্ট করে সেখানে ছয়টির পরিবর্তে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে। যার কারণে সেই ১৫ সংখ্যা এখন ১৪ তে দাঁড়িয়েছে।
এ নিয়ে সিএমএইচ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২১ জুলাই সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল কর্তৃক মোট ১৫টি বডিব্যাগ গৃহীত হয়, যার মধ্যে তুরাগ থানা পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১১টি মরদেহ, দুটি অপূর্ণাঙ্গ মরদেহ এবং পাঁচটি দেহের অংশবিশেষ সুরতহাল করে। ১১ মরদেহের মধ্যে ৯ জন দাবিদার মরদেহ শনাক্ত করতে পারায় ঘটনার দিন ২১ জুলাই তুরাগ থানা পুলিশ দাবিদারদের কাছে আটটি এবং ২২ জুলাই একটি মরদেহ হস্তান্তর করে।
সুরতহাল করা বাকি দুটি মরদেহ, দুটি অপূর্ণাঙ্গ মরদেহ এবং পাঁচটি দেহের অংশবিশেষ থেকে ২২ জুলাই সিআইডি ফরেনসিক টিম ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন এবং পরীক্ষা শেষে ফলাফলের ভিত্তিতে সিআইডি ফরেনসিক টিম পাঁচজনের মরদেহ শনাক্ত করে। বৃহম্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতে তুরাগ থানা পুলিশ পাঁচজন দাবিদারের কাছে শনাক্ত মরদেহ ও দেহের অংশবিশেষ হস্তান্তর করে।

