কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও তা বারবার আসা-যাওয়ার মধ্যে রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, এমনকি মসজিদের মুসল্লিরাও দুর্ভোগে পড়েছেন।
উপজেলার মোড় এলাকার কম্পিউটার ব্যবসায়ী সোহান বলেন, দিন-রাত মিলিয়ে আট-দশ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও বারবার যাওয়া-আসার কারণে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
একই অভিযোগ তুলে উপজেলা মডেল মসজিদের মুসল্লি ফরিদুল ইসলাম বলেন, নামাজের সময় বিদ্যুৎ চলে যায়। গরমে ও অন্ধকারে অনেক কষ্টে নামাজ আদায় করতে হয়।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পোলট্রি খামার মালিক এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় খামারের বাচ্চাগুলো সঠিক তাপমাত্রা পাচ্ছে না। শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে না।
এ বিষয়ে চিলমারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম জসিম উদ্দিন বলেন, ২ নম্বর ফিডার বন্ধ রেখে চিলমারী-হরিপুর তিস্তা সেতুর কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
