নির্বাচনে ভোট কেনার অভিযোগে ব্রাজিল ফুটবলপ্রধানের অফিস ও বাসায় তল্লাশি

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৫, ১৩:১৫

ব্রাজিলের উত্তরাঞ্চলের শহর রোরাইমায় নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে ‘অপারেশন কাইজা প্রেতা’ (ব্ল্যাক বক্স) শুরু করেছে দেশটির পুলিশ। এই তদন্তে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) সভাপতি সামির সাউদ অন্যতম সন্দেহভাজন। এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে ইএসপিএন ব্রাজিল।

২০২৪ সালে রোরাইমা পৌরসভা নির্বাচনে ভোট কেনার অভিযোগের তদন্তে নেমেছে ব্রাজিলের পুলিশ। সেখানকার ফেডারেল ডেপুটি হেলেনা লিমা এই তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু, যা শুরু হয় গত বছর। তার স্বামী ও ব্যবসায়ী রেইনালদো লিমা রোরাইমায় পৌরসভা নির্বাচনের আগে ৫ লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়ালসহ গ্রেপ্তার হন। ব্রাজিলের ফুটবলপ্রধান সাউদ হেলেনা লিমার সহযোগী এবং তারা একই রাজনৈতিক (এমডিবি) দলের সদস্য।

সামির সাউদ, হেলেনা লিমা, রেইনালদো লিমা ও রোরাইমার যোগাযোগ অবকাঠামোর (ডিএনআইটি) সুপারিনটেনডেন্ট ইগো ব্রাসিল ছাড়াও আরও ৬ জন পুলিশের এই অভিযানের লক্ষ্যবস্তু। সিবিএফ সদর দপ্তর ছাড়াও সাউদের বাসায়ও অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

পুলিশ আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে সিবিএফ জানিয়েছে, ‘সকাল ৬টা ২৪ মিনিট থেকে ৬টা ৫২ মিনিটের মধ্যে সদর দপ্তরে পুলিশ এসেছে এবং এই অভিযান রোরাইমা নির্বাচনী আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া তদন্তের অংশ।’

এই অভিযানের সঙ্গে সিবিএফ ও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে সিবিএফ জানিয়েছে, ‘সভাপতি সামির সাউদ তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু নন।’

রোরাইমা ও রিও ডি জেনিরোয় মোট ১০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তল্লাশি চালানোর পরোয়ানা জারি করে পুলিশ। এই তদন্তে সংশ্লিষ্ট সব সন্দেহভাজনের মোট ১ কোটি ব্রাজিলিয়ান রিয়াল জব্দের নির্দেশও দিয়েছেন নির্বাচনী আদালত।

৪১ বছর বয়সী সাউদ এ বছর মে মাসে সিবিএফের সভাপতি হন। তার বাবা জেকা সাউদ ২০২৩ সালে টানা ১৪তমবারের মতো রোরাইমা ফুটবল ফেডারেশনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। এ বিষয়ে সামির সাউদ, রেইনালদো লিমা ও হেলেনা লিমার সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো উত্তর পায়নি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো।

২০২২ সালে রোরাইমায় নির্বাচনে ফেডারেল ডেপুটি পদে দাঁড়িয়েছিলেন পেশায় চিকিৎসক এই সিবিএফ সভাপতি। কিন্তু তাকে হেলেনা লিমার বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। সিবিএফের ইতিহাসে সাউদ অষ্টম ও সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি।

ইত্তেফাক/জেডএইচ