র‍্যাংকিং নিয়ে উচ্ছ্বসিত না তাবিথ

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৫, ১৫:৩৯

দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশ এখন সবার উপরে। ফিফা পরশু যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেটা নিয় ফুটবল অঙ্গনে আনন্দ উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল উচ্ছ্বসিত না। এটা তার কাছে সময়ের দাবি। ১০৪-এর ঘরে বাংলাদেশ, এই অবস্থান আরও কমে আসবে, মনে করছেন বাফুফের সভাপতি। 

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল আরও খেলবে, আরও জয়-পরাজয় থাকবে। এগিয়ে যাবে। ১০৪-এ থেমে থাকার সুযোগ নেই। আগামীতে নারী ফুটবল নিয়ে আরও অনেক বেশি কার্যক্রম হাতে নেবে বাফুফে। নারী ফুটবলাররা খেলবে ঘরোয়া ফুটবল। আন্তর্জাতিক ফুটবল। বিশ্রামের সুযোগ পারে কম। কারণ ফিফার কাছে নারী ফুটবলে ফান্ড রয়েছে। তাবিথ ফিফার ফান্ডে নজর দিয়েছেন। সেই ফান্ড কীভাবে আদায় করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন তিনি। জানিয়েছেন, ফান্ড আনতে হলে নারী ফুটবল দলকে ভালো রেজাল্ট দিতে হবে। 

তিনি বলেন, 'এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপের টিকিট পায় তাহলে ১ মিলিয়ন ডলার এমনিই পাবে। এছাড়া নানা দিক থেকে নারী ফুটবলের জন্য সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যেগুলো আদায় করে নিতে হবে।'

বাফুফে ফিফার কাছ থেকে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা আদায় করতে পা নারার কারণ হচ্ছে এসব নিয়ে ভাবেনি। মিয়ানমারে খেলতে যাওয়ার কারণেই বাংলাদেশের সুযোগগুলো বেরিয়ে আসছে। ফিফার র‍্যাংকিংয়ে এত বড় পরিবর্তন হয়েছে শুধু মিয়ানমারের সাফল্য পাওয়ার কারণে।

বাফুফে ২০২২ সালে নারী ফুটবল দলকে মিয়ানমার পাঠায়নি। সেবার পাঠালে বাংলাদেশের ফুটবল আরও দূর যেতে পারতো। গত অক্টোবরে বাফুফের নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সামনে পুনরায় একই প্রস্তাব আসে, নারী দল মিয়ানমারে খেলতে যাবে কি না। তাবিথ সবার সঙ্গে কথা বলেছেন। কেউ তাকে সাহস দেননি। সবার একই সুর। মিয়ানমারে নারী দল না পাঠানোই ভালো। তাবিথ যাদের ওপর আস্থা রাখেন তারা তো আরও জোর দিয়ে তাবিথকে বলেছিলেন মিয়ানমারে দল পাঠালে হেরে বিদায় নিতে পারে। 

তবে নাছোড়বান্দা তাবিথ। সবার কথা শুনে ঘরে ফিরে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিয়ানমারে ফুটবল মন পাঠাবেন। একক সিদ্ধান্তে মিয়ানমারে দল পাঠিয়েছিলেন। বিদ্রোহী ফুটবলাররা নেই। নতুন পুরোনো ফুটবলারদের নিয়ে ব্রিটিশ কোচের পরামর্শ, তাবিথ চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। নিজের কাছে নিজের সেই চ্যালেঞ্জ জিতেছেন তিনি। মিয়ানমারের সাফল্যই আজকে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দেশে পরিণত করেছে।

ইত্তেফাক/জেডএইচ