মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে ব্যবসায়ীর স্মারকলিপি

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০০:৪৬

মামলা দিয়ে হয়রানি করার সিন্ডিকেট পিছু ছাড়ছে না রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ব্যবসায়ী রাজু আহমেদের। জুলাই-আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় বিভিন্ন থানায় দায়ের করা ৪ টি হত্যা মামলায় আসামির তালিকায় তার নাম দেয়া হয়। কোনো মামলায় রাজু আহমেদকে বলা হয় আওয়ামী লীগ নেতা, কোনোটাতে বলা হয় যুবলীগ ক্যাডার আবার কোনোটাতে বলা হয় রাজু আহমেদ ছাত্রলীগ ক্যাডার। প্রতিটি মামলায় তার ভিন্ন ভিন্ন ঠিকানা দেয়া হয়। এরপরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ৫ মাস কারাবন্দী থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বের হয়ে জানতে পারেন ওই মামলাবাজ চক্রটি তার নাম আরও তিনটি মামলায় দিয়েছে। এ অবস্থায় তিনি এই মামলাবাজ চক্র থেকে মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, পুলিশের আইজি ও ডিএমপি কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। 

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার তিনি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। কয়েক মাস ধরে একটি মামলাবাজ সিন্ডিকেটের চক্রান্তের শিকার হয়ে পল্টন, কোতোয়ালি, বনানী ও গুলশান থানায় দায়ের করা ৪ টি মামলায় আসামীর তালিকায় তার নাম দেয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পাঁচ মাস পর জামিনে মুক্তি পান। এই পাঁচ মাস কারাবন্দী থাকায় তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

তিনি আরও বলেন, তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মেসার্স জনতা স্টোর, মেসার্স জনতা ট্রেডার্স ও আর এম বিল্ডার্স। প্রতিটি মামলায় তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় দেয়া হয়েছে। অথচ তার সাথে রাজনৈতিক কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। প্রতিটি মামলায় পৃথক রাজনৈতিক পদ পদবী দেওয়া হয়েছে।  

গুলশান থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছে পিবিআইকে। গতকাল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তদন্তে রাজু আহমেদের সম্পৃক্ততা মিলেনি। এই মামলার আসামির তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/এমএএম