২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে গুরুতর আহত হয়েও এখনও গেজেটভুক্ত হননি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাহসী আন্দোলনকারী আবদুল সাত্তার। সন্ত্রাসী হামলায় এক হাতে লোহার রড নিয়ে আজও কষ্টকর দিন পার করছেন তিনি, অথচ তার নাম নেই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির তালিকায়।
আবদুল সাত্তার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শাহজাদপুর গ্রামের আবদুল হাদী ও মর্জিনা খাতুন দম্পতির সন্তান। তিনি গত বছরের (২০২৪) ২৭ জুলাই সিরাজপুর ইউনিয়নের লোহারপুল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন।
চোখের সামনে সেই দিনের স্মৃতি এখনো তাড়া করে আবদুল সাত্তারকে। মারাত্মক হামলায় তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হন তিনি। এখনও ওই হাতে লোহার রড বহন করছেন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পুনরায় অস্ত্রোপচার ছাড়া স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সরকারি সহায়তা বা গেজেটভুক্তির স্বীকৃতি না থাকায় তিনি চিকিৎসার খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা ও প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল হাই সাহেদ বলেন, আমরা নিজের চোখে দেখেছি কীভাবে আবদুল সাত্তারকে রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অথচ আজও তাকে গেজেটভুক্ত করা হয়নি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
নিজের হতাশা প্রকাশ করে আবদুল সাত্তার বলেন, আমিও অন্যদের মতো সাহসিকতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। হামলার শিকার হয়ে আজও হাতের ভেতরে রড নিয়ে কষ্ট করছি। অথচ সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেলাম না। এটা কি আমার সঙ্গে অবিচার নয়?
