নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় অভিনব কৌশলে স্বর্ণের বার চোরাচালান করতে গিয়ে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার মূল্যের ১১৯ ভরি ১৫ আনার ১২টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারী চন্দন রায়কে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুলাই) উপজেলার বিশনন্দী ফেরিঘাট সংলগ্ন পুষ্টি গবেষণা ইন্সটিটিউট সংলগ্ন চেকপোস্টে তল্লাশি করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত চোরাকারবারী চন্দন রায় ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার গুদমা এলাকার মৃত দিরেন্দ্র রায়ের ছেলে। আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংবাদ পাই একজন স্বর্ণ চোরাকারবারী বারামপুর ফেরিঘাট থেকে বিশনন্দী ফেরিঘাট দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তখন একটি চেকপোস্ট বসিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা সিগ্নাল দেওয়ার পর ড্রাইভার গাড়িটি থামানোর পর অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে থাকা একজন যাত্রী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন চন্দন রায়কে দৌড়ে আটক করা হয়।
এ সময় তার কাছে পালিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে নানা ধরনের কথা বলতে থাকে। একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে তার কাছে থাকা শুল্ক ফাকি দেওয়া স্বর্ণ রয়েছে। পরে তাহার দেহ তল্লাশি করে শার্টের ডান হাতের ভিতরে কব্জির উপরের অংশে স্কচটেপ দিয়ে আটকানো ১২টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়। এর ওজন ১১৯ ভরি ১৫ আনা।
আরও পড়ুন: সাভারে নদীতে গোসল করতে নেমে তিন কলেজছাত্র নিখোঁজ
তিনি আরও জানান, চন্দন রায় আন্তঃজেলা স্বর্ণের বার চোরাচালান সংঘবদ্ধ চক্রের সক্রিয় সদস্য। সে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ হতে অবৈধ ভাবে শুল্ক ফাকি দিয়ে আমদানি করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২৫-বি ধারা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
