পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার রামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহা. জসিম উদ্দীন এক বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) মাধ্যমে বেতন-ভাতা তুলেছেন। তিনি একই সঙ্গে মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রভাব খাটিয়ে তিনি প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করেন এবং বিদ্যালয়ে ১৩ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্য করেন। তবে সরকারের পরিবর্তনের পর তিনি বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করেন এবং আত্মগোপনে চলে যান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মুহা. জসিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি হাসিবুল গনি মুনির খন্দকার বলেন, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত। এ সময় এক বছরের বেতন-ভাতা তুলেছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানও কমেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাই।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবু জাফর জানান, জুলাই পর্যন্ত বেতন ইএফটির মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে, আগস্ট মাসের বেতন এখনও সাবমিট হয়নি। বিষয়টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ মোহসিন উদ্দীন বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যেরও অভিযোগ রয়েছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুহা. মুজিবুর রহমান বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লিখিতভাবে বিষয়টি জানালে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
