রাকসু নির্বাচন

মন্নুজান, রোকেয়া ও তাপসী রাবেয়া হলের পর খালেদা জিয়া হলেও ভিপি ও এজিএস পদে এগিয়ে শিবির, জিএসে আম্মার

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২০

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ঘোষিত চারটি (মন্নুজান, রোকেয়া, তাপসী রাবেয়া, খালেদা জিয়া) হলের ফলাফলে ভিপি (সভাপতি) ও এজিএস (সহকারী সাধারণ সম্পাদক) পদে এগিয়ে আছেন ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের প্রার্থীরা। অন্যদিকে জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে এগিয়ে আছেন ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের সালাহউদ্দিন আম্মার।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে মন্নুজান, রোকেয়া, তাপসী রাবেয়া ও বেগম খালেদা জিয়া হলের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক সেতাউর রহমান। কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এসব ফল ঘোষণা করা হয়।

খালেদা জিয়া হল

এই হলে ভিপি পদে শিবির–সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ৪৮৫ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল–সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের শেখ নূর উদ্দীন আবীর পেয়েছেন ১৩৭ ভোট।

জিএস পদে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’-এর সালাহউদ্দিন আম্মার পেয়েছেন ৩৫২ ভোট এবং শিবির–সমর্থিত ফাহিম রেজা পেয়েছেন ২৯৫ ভোট। এজিএস পদে শিবির–সমর্থিত এস এম সালমান সাব্বির ২৭৮ ভোটে এগিয়ে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল–সমর্থিত জাহিন বিশ্বাস এষা পেয়েছেন ১৭১ ভোট।

তাপসী রাবেয়া হল

ভিপি পদে মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ৪৭৩ ভোট, আবীর পেয়েছেন ১৩৬ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার ৪০৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে, ফজলে রাব্বি ফাহিম রেজা পেয়েছেন ২৫৪ ভোট। এজিএস পদে এস এম সালমান সাব্বির পেয়েছেন ২৪৫ ভোট, জাহিন বিশ্বাস এষা পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।

রোকেয়া হল

ভিপি পদে জাহিদ পেয়েছেন ৭৫২ ভোট, আবীর পেয়েছেন ২১১ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার ৬৬১ ভোটে এগিয়ে, ফজলে রাব্বি ফাহিম রেজা পেয়েছেন ৩৭৭ ভোট। এজিএস পদে সাব্বির পেয়েছেন ৩৪৬ ভোট, এষা পেয়েছেন ২৯৯ ভোট।

মন্নুজান হলে

ভিপি পদে জাহিদ পেয়েছেন ৯৭২ ভোট, আবীর পেয়েছেন ২৩৬ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার পেয়েছেন ৮৪১ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী ফাহিম রেজা পেয়েছেন ৪৯৫ ভোট। এজিএস পদে সাব্বির পেয়েছেন ৫৫৩ ভোট, জাহিন বিশ্বাস এষা পেয়েছেন ৩৭৮ ভোট।

রাতভর কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার অনুষ্ঠান মেগাস্ক্রিনে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ইত্তেফাক/এএম