ময়নমনসিংহে মর্গের ভেতরে রাখা তরুণীর মরদেহকে ধর্ষণ করার অভিযোগে ‘লাশবাহক’ আবু সাঈদ নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ অক্টোবর) রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরিফুল হকের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে অভিযুক্ত যুবক।
জানা গেছে, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের একটি গ্রামে রোববার মধ্যরাতে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মর্গে মরদেহ রেখে বের হওয়ার পর দ্বিতীয়বার মর্গে প্রবেশ করেন লাশ বহনকারী আবু সাঈদ। ওই সময় তরুণীর মরদেহকে ধর্ষণ করে সে। সেদিন ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে চিকিৎসক ধর্ষণের আলামত পেলে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ সোমবার রাতেই আবু সাঈদকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। তার বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ এন এম আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ময়নাতদন্তের সময় মরদেহে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ধর্ষণের আলামত পাওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যার দিকে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এ সময় সাঈদকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আবু সাঈদ মরদেহ ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, লাশ অবমাননাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতেও স্বীকারোক্তি দিয়েছে সে।
