মায়াবী এক মুখে যখন হাসি ফোটার কথা, তখন সে তাকিয়ে থাকে মেডিকেল রিপোর্টের দিকে। ছোট্ট সাবিহা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। কিন্তু স্কুলব্যাগ নয়, আজকাল তার প্রতিদিনের সঙ্গী হচ্ছে হাসপাতালের ফাইল। কাগুজে সেই রিপোর্টের পাতায় লেখা আছে তার ধীরে ধীরে নিভে যাওয়ার গল্প।
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া ইউনিয়নের দিনমজুর আব্দুস সালামের একমাত্র কন্যা সাবিহা। ফুটফুটে মিষ্টি মেয়েটির হার্টে ধরা পড়েছে ছিদ্র। এক সময় মাঠে-ঘাটে দৌড়ে বেড়ানো সাবিহা এখন নিঃশব্দ। নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে তার হাসির রোদ্দুর।
বাবা আব্দুস সালাম সারাদিনের কষ্টার্জিত টাকা জমাতেন মেয়ের পড়া-শোনার জন্য। কিন্তু এখন সে অর্থের প্রতিটি পয়সাই লেগে যাচ্ছে চিকিৎসার খরচে। মেয়েকে বাঁচাতে বিক্রি করেছেন নিজের সহায়-সম্পত্তি তবু মিলছে না পরিত্রাণ। একমাত্র কন্যাকে সুস্থ জীবন উপহার দিতে বিত্তশালীদের সহযোগিতা চেয়েছেন এই বাবা।
চিকিৎসকরা বলেছেন, সময়মতো অপারেশন না হলে বাঁচানো যাবে না ছোট্ট সাবিহাকে। প্রয়োজন অল্প সময়ের মধ্যে একটি জটিল অস্ত্রোপচারের, যার খরচ কয়েক লক্ষ টাকা।
অসহায় বাবা এখন চারদিকে তাকিয়ে শুধুই একটাই আর্তি জানাচ্ছেন, আমার মেয়েটাকে একটু বাঁচিয়ে দিন। সে আবার স্কুলে যাবে, হাসবে, পড়বে... আমি শুধু ওর মুখে আবার সেই হাসিটা দেখতে চাই।
