রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকায় ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।
গত ৩ নভেম্বর নবীনগর হাউজিংয়ের ১২ নম্বর রোডের ১০১/১০২ নম্বর বাড়ির সাবলেটের একটি কক্ষ থেকে তানহা বিনতে বাশারের (২০) ঝুলন্ত লাশ পুলিশ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় মৃতের বাবা আবুল বাসার ভূইয়া বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। এই ঘটনার তিন দিন পর গতকাল আবুল বাসার ভূইয়া বাদী হয়ে একই ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মানিল ফয়সাল সায়মন (২০) নামে এক যুবককে আসামী করে মামলা করেন।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি কাজী মোঃ রফিক আহমেদ বলেন, ঘটনার দিন বাদী তার মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেন। পরে বাদী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানের এ ব্লকের ২ নম্বর রোডের ৫৮ নম্বর প্লটে বসবাস করা সায়মন নামে এক যুবকের সাথে তার মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন আগে হতে সায়মন তার মেয়ে তানহার সাথে সম্পর্ক রাখবে না বলে জানায়। এ নিয়ে সায়মন মাঝে মধ্যেই তানহার সাথে খারাপ আচরণ করে। এভাবে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে তার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।
ওসি আরো বলেন, বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সায়মনকে একমাত্র আসামি করে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। বাদীর আগের মামলা চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগের মামলা তদন্ত হবে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মামলার আসামি সায়মনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে তাকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
