কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে নিখোঁজ হওয়ার ১৭ ঘণ্টার মাথায় বিলের জলাশয় থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ইউনিয়নের মধ্যম বাহারছড়াস্থ শিশুটির বাড়ি সংলগ্ন জলাশয়ের পানিতে তার মরদেহ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) স্থানীয় সদস্য নেজাম উদ্দিন।
সলিল সমাধি হওয়া মুহাম্মদ নাঈম (৫) ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম বাহারছড়া গ্রামের ছৈয়দ নুরের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর খেলতে বের হয়ে নাঈম আর ফিরে আসেনি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার পর সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এলাকায় চলা একটি তফসির মাহফিলের মাইকে নিখোঁজের ঘোষণা দিয়ে তাকে সহযোগিতা চাওয়া হয়। মাইকিং করা হয় সড়ক-উপসড়কেও। বিলের বিভিন্ন স্থানে এবং খামার খালের পাশের জলাশয়েও খোঁজ করা হয়। তখন পাওয়া না গেলেও শুক্রবার সকালে সেই জলাশয়ের পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। মরদেহটি উদ্ধার করে দেখেন এটা নিখোঁজ নাঈম।
ইউপির স্থানীয় সদস্য নেজাম উদ্দিন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দমকা বিলের ফরাজীপাড়ার দক্ষিণাংশে খামার খাল এলাকায় একটি জলাশয়ের মতো রয়েছে। সেখান থেকে বিলে বিচরণ করা পশুগুলো পানি পান করে। সেই জলাশয়ে সবার অজান্তে ডুবে মারা যায় নাঈম। গত বছরও ওই জলাশয়ের কিনারা থেকে কলমি শাক তুলতে গিয়ে তিন কিশোরী মারা গিয়েছিল। এ বছর নাঈম মারা যায়। জুমার নামাজের আগে স্থানীয় জামে মসজিদ মাঠে জানাজা শেষে শিশুটির দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
ঈদগাঁও থানার ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, কেউ অভিযোগ করেনি। এরপরও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়। পানিতে ডুবে যেহেতু মৃত্যু হয়েছে পরিবার তাকে দাফনও করে ফেলেছে।
