ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

পিরোজপুরে তিনটি আসনের প্রার্থী পছন্দে নানামুখী হিসাবনিকাশ

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০:৩৯

সংসদীয় রাজনীতিতে পিরোজপুর জেলার অবস্থান যুগ যুগ ধরে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১২টি সংসদ নির্বাচন এবং পাকিস্তান ও ব্রিটিশ আমলেও পিরোজপুর থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সরকার ও আইন সভায় জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্বপূর্ণ পদে আসীন থেকে অবদান রেখেছেন।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর জেলার তিনটি আসনের মধ্যে আসন-১ ও ২ এর প্রতি সকলের দৃষ্টি বিশেষভাবে নিবদ্ধ। পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর উপজেলা ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াত ইসলামী ও বিএনপি এবং বিএনপির সমমনা জোটের প্রার্থীরা স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে পরিচিত এবং প্রভাবশালী।

পাশাপাশি কাউখালী, ভাণ্ডারিয়া ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসনের মাঠে পদচারণা ও আলোচনায় যেসব প্রার্থী রয়েছেন তারা আসন-১ এর প্রার্থীর চেয়েও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

এ দুটি আসনে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত দেশের বরেণ্য আলেম মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর দুই ছেলেকে জামায়াতে ইসলামী সংসদ সদস্য প্রার্থী ঘোষণা করায় সেখানে নির্বাচনী আমেজ ভিন্ন মাত্রার। সম্প্রতি জাতীয় পার্টি-জেপি’র চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন এমন কথা পিরোজপুর-২ আসনের ভোটারদের মুখে মুখে উচ্চারিত হওয়ায় সেখানে ভোটের হাওয়ায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী)

পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াত তাদের প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ বিন সাঈদীর প্রার্থিতা ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে। যদিও বিএনপির সাম্প্রতিক দেশব্যাপী তাদের ২৩৭টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণায় এ আসনটিতে তাদের প্রার্থিতা স্থগিত রয়েছে। অতি সম্প্রতি বিএনপি দেশব্যাপী যে আরো ৩৬টি আসনে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করার পরও এ আসনে তাদের কোনো প্রার্থী না থাকায় বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের এক ধরনের নৈরাশ্য বিরাজমান।

জামায়াত বেশকিছু দিন ধরে তাদের প্রার্থীদের নাম আগেভাগে ঘোষণার মাধ্যমে মাঠে এ দলের অবস্থান নানা রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক তৎপরতার মাধ্যমে সংহত করে চলছে। যে পরিপ্রেক্ষিতে পিরোজপুর-১ আসনের ৯৬ ও ২০০১ এর সংসদ সদস্য মরহুম মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ব্যক্তিগত ইমেজকে পাথেয় করে তার তৃতীয়  ছেলে ও ইন্দুরকানীর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বেশ অগ্রণী অবস্থানে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের আমলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাওলানা সাঈদীকে প্রথমে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং পরে দণ্ড শিথিল করে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয় এবং কারাগারে তার মৃত্যু ঘটে।

মাওলানা সাঈদীকে আওয়ামী লীগ সরকারের এই বিতর্কিত দণ্ডাদেশকে পিরোজপুরসহ সারা দেশের অনেক মানুষ মেনে নিতে পারেননি। ফলে তার প্রতি এবং তার পরিবার ও সন্তানদের প্রতি মানুষের বিশেষ ধরনের সহানুভূতি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে ২০২৪ সালে গণজাগরণের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগের পতন ঘটলে জামায়াত ও বিএনপি দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি ও নির্বাচনী মাঠে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। পিরোজপুর-১ আসনে সাঈদী পুত্র মাসুদ সাঈদীকে তার দল সংসদীয় প্রার্থী ঘোষণার মধ্যদিয়ে এই সুবিধার সদ্ব্যবহার করতে সদা তৎপর।

অন্যদিকে বিএনপির ১৭/১৮ বছরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যদিয়ে এই আসনে তাদের অবস্থান অনেকটা সংহত করেছে বলে পিরোজপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান তাপস মনে করেন। যদিও তিনি কিছুটা সংশয়াচ্ছন্ন বিএনপির এ আসনের নেতাকর্মীদের কোন্দলের কারণে। তারপরও তার ধারণা, বিএনপি যদি এখানে ধানের শীষের একক প্রার্থী নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে পারে তাহলে এ আসনে বিএনপির বিজয়ী হওয়া অসম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে তিনি আরো মনে করেন, মাওলানা সাঈদী এবং তার ছেলেরা এক নন। তারা মানুষের কাছেও সমানভাবে গ্রহণযোগ্যও নন।

অন্যদিকে এ আসনে বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণা স্থগিত থাকায় জোটের প্রার্থী হিসেবে সাবেক জাতীয় পার্টির মন্ত্রী ও এমপি প্রবীণ রাজনীতিবিদ মোস্তফা জামাল হায়দার ধানের শীষের প্রার্থী হবেন বলে অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে। তিনি নিজেও ইত্তেফাককে এ বিষয় প্রাথমিক ধারণাও দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান নিজে এ আসনে দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছেন এবং মাঠে ধানের শীষের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয়। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী দেওয়া গেলে এ আসনটিতে দলের সংহত অবস্থানের কারণে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল।

পাশাপাশি ধানের শীষের পক্ষে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এলিজা জামান পিরোজপুর-১ আসনে সক্রিয় প্রচার-প্রচারণায় তৎপর। তারা তিন জনও দলের কাছে এ আসনে মনোনয়ন প্রার্থী। পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রার্থী হচ্ছেন দলের জেলা কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কারী মো. আল আমীন খান। তিনি তরুণ নেতাকর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ)

পিরোজপুর-২ আসনটি একটু বৈচিত্র্যপূর্ণ। এ আসনে স্বাধীন বাংলাদেশে মোট ১২টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট ৭টি নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। সেই বিবেচনায় কাউখালী-ভাণ্ডারিয়া-নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনের ভোটারদের কাছে রাজনীতি ও দলমত নির্বিশেষে তার অবস্থান অনেক সংহত ও সুগভীর। তিনি তার এই নিজস্ব আসনে সংসদ সদস্য পদে সাইকেল মার্কা নিয়ে এবারও প্রার্থী হচ্ছেন—এমন প্রচারণা মাঠে তার দল ও অনুসারীরা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বিএনপি ও জামায়াত দুই জনের নাম ঘোষণা করেছে। মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর তৃতীয় পুত্র শামীম সাঈদী জামায়াত থেকে এবং বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নূরুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমন বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনীত হয়েছেন। এ দুই জনই বেশ কিছুদিন ধরে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভাণ্ডারিয়ার একজন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান তার নাম গোপন রাখার শর্তে ইত্তেফাককে বলেন, নির্বাচনী রাজনীতিতে আঞ্চলিকতা একটি বড় ফ্যাক্টর। বিএনপি প্রার্থী সোহেল মঞ্জুরের পূর্ব পুরুষ ভাণ্ডারিয়ার আদি বাসিন্দা হলেও তার পিতা নূরুল ইসলাম মঞ্জুরের রাজনৈতিক অবস্থান ছিল বরিশাল শহর কেন্দ্রিক এবং সেখান থেকেই তিনি একাধিকবার এমপি হন। যদিও তিনি পিরোজপুর-২ আসন থেকে ২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছেন এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচনে জিতে দেড় মাস এমপি ছিলেন।

সোহেল মঞ্জুর ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও এ আসনের ভোটারদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে তেমন পরিচিত নন। ইতিমধ্যে তার বিরোধিতা করে এ আসনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নেছারাবাদে (স্বরূপকাঠি) বিএনপির একাধিক গ্রুপ সেখানকার স্থানীয় প্রার্থীর মনোনয়নের দাবিতে মানববন্ধন, মিটিং, মিছিল চালাচ্ছেন। এ দিকে ভাণ্ডারিয়া শহরে বিএনপির এ মনোনয়ন পরিবর্তন করে আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী মাহমুদ হোসেনের পক্ষে তার কর্মী-সমর্থকরা মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। 

পিরোজপুর-২ আসনে নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির সাম্স ইসতিয়াক রহমান প্রার্থী হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি ভাণ্ডারিয়ার অধিবাসী। পাশাপাশি এই আসনের সবচেয়ে কঠিন বাধা হচ্ছে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার বিপুলসংখ্যক বৈরী ভোটার। এ উপজেলার ভোটাররা কোনো বাইরের প্রার্থীকে মেনে নিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন না।

নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মহিবুল্লাহ ইত্তেফাককে বলেন, ভোটাররা খুবই রাজনীতি সচেতন। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে দেখে শুনে বুঝে ভোট দেন। অতীতে দেখা গেছে স্বরূপকাঠির ভোটাররা যে প্রার্থীর দিকে ঝুঁকেছেন তিনিই নির্বাচিত হয়েছেন এবং তার দল দেশের সরকার গঠন করেছে। এখানকার ভোটাররা অসাম্প্রদায়িক, মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতার চেতনার প্রতি দুর্বল। অনেকে মনে করেন এ আসনটিতে জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু প্রার্থী হতে পারেন এই আলোচনা ভোটারদের মধ্যে ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হওয়ায় আসনটির নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ অনেকটা ব্যতিক্রমধর্মী হবে। যদি তিনি প্রার্থী হন তখন দীর্ঘকালের উন্নয়ন বঞ্চিত নেছারাবাদের ভোটারদের চিন্তায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করেন সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম সাঈদ।

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া)

পিরোজপুর-৩ আসনটি জেলার একটি মাত্র উপজেলা নিয়ে গঠিত। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এই সংসদীয় এলাকায় প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে বৈচিত্র্যময় ঘটনার সৃষ্টি হতো। এখানকার প্রার্থী মনোনয়নে রাজনৈতিক দলগুলো প্রায় সকল নির্বাচনেই ভিন্ন মাত্রার চমক দেখিয়েছে। এ আসনে ১২টি নির্বাচনে যেমন দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন তেমনি একাধিক স্বতন্ত্র  প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি অনেকটা নির্ভার ও টেনশনমুক্ত অবস্থায় রয়েছে বলে অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়। সম্প্রতি বিএনপির কেন্দ্র থেকে একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে মো. রুহুল আমীন দুলালকে। এ আসনে প্রাথমিকভাবে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। ইতিমধ্যে দুলাল তার দলের মধ্যকার মতভেদ-কোন্দল অনেকটা নিরসন করে গত দুই সপ্তাহ আগে মঠবাড়িয়ায় একটি বিরাট শোডাউন করে নিজের ও দলের শক্তি ও ঐক্যের পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছেন।

পিরোজপুর-৩ মঠবাড়িয়া এ আসনে জামায়াতে ইসলামীও তাদের একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বেশ কিছুদিন আগে। যখন এই সিদ্ধান্ত জামায়াত গ্রহণ করে তখন মঠবাড়িয়ায় বিএনপির অবস্থা ছিল ছত্রভঙ্গ। দলীয় কোন্দল ও একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের বিভক্ত সাংগঠনিক তৎপরতা দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক ও জনগণকে প্রকট বিভ্রান্তির মাঝে নিমজ্জিত করে রেখেছিল। এই সুযোগে জামায়াত তাদের উপজেলা আমির শরীফ আব্দুল জলিলকে প্রার্থী ঘোষণা করে অনেকটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে।

কিন্তু বিএনপি তাদের দলীয় বিভাজনকে দূর করে যখন একক প্রার্থী নিশ্চিত করেছে তখন জামায়াত এই আসনে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পাশাপাশি তাদের সমমনা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন চার বারের সংসদ সদস্য ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী। তিনি সম্প্রতি চরমোনাইতে গিয়ে এই দলে যোগদান করেছেন। যদিও ডা. ফরাজী ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি, ২০০১ সালে বিএনপি এবং ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র পরিচয়ে এবং ২০১৮ সালে জাতীয় পার্টি’র লাঙ্গল মার্কা নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৯০ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং চার বার এমপি হওয়ার সুবাদে মঠবাড়িয়ায় তার একটি নিজস্ব বলয় বা ভোট ব্যাংক রয়েছে।

পিরোজপুর-৩ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে রয়েছে। তরুণ প্রার্থী ড. শামীম হামিদি এই দলের মনোনয়ন নিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইত্তেফাক/এসএএস