চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা ও ঝিনাইদহের মহেশপুর এলাকা থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আলমডাঙ্গা থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি এবং ঝিনাইদহের উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম জুয়েল রানা (২৪)। জুয়েলকে হত্যার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তার পরিবার।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পৃথকভাবে মরদেহটি দুটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে ইত্তেফাকের মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা জানান, আলমডাঙ্গা উপজেলায় বৃহস্পতিবার সকালে কয়েকজন কৃষক কায়েতপাড়া বিল মাঠে ভুট্টা ক্ষেতে পানি সেচ দিতে যান। এসময় মাঠের একটি ভুট্টা ক্ষেতে শীতের জ্যাকেট পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। পরে তারা তিওরবিলা পুলিশ ফাঁড়ি ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের ধারণা, দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রেখে যায়। নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর।
আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বানী ইসরাইল বলেন, স্থানীয়রা ক্ষেতে পানি দিতে যাওয়ার সময় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে ফোন দেয়। পরে মরদেহটির সুরতহাল রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়। তবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে মহেশপুর (ঝিনাইদহ)সংবাদদাতা পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে মহেশপুরের নেপা ইউনিয়নের খোসালপুর সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে জুয়েল রানা নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জুয়েল খোসালপুর গ্রামের আনারুল হকের ছেলে।
জুয়েলের পরিবারের সন্দেহ, ব্যাগ হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার তার মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় ৩ যুবক জড়িত। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করে।
মহেশপুর থানর পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তার হাতে পায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
