পঞ্চগড়ে ৭.৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা, চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ

আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:১৯

দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় কয়েক দিন ধরেই ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। এর আগের দিন শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। ওই দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

চলতি শীত মৌসুমে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন। সেদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি।

গত কয়েক দিন ধরে সকালবেলা সূর্যের দেখা মিলছে না। দুপুরের দিকে সূর্য উঠলেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা অনুভূত হচ্ছে না। রোববার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা চলছে। তিনি বলেন, ‘গত দুই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় রেকর্ড হওয়ার পর আজ জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।’

ইত্তেফাক/এনএন