গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিলে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:২৪

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ অধীর আগ্রহে গণতন্ত্রের উত্তরণের জন্য অপেক্ষা করছে। এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে যারা বাধাগ্রস্ত করবে, জনগণ তাদের চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং বত্তাতলী স্টেশনে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে এবং মিটিং-মিছিল করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।

তিনি আরও বলেন, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে, তা দেখার দায়িত্ব সরকার, নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। প্রতিবাদ জানানোর ভাষা প্রতিবাদের মতোই হওয়া উচিত, কিন্তু এর নামে উশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করা যাবে না। কেউ যদি উশৃঙ্খলতা বা রাজনৈতিকভাবে মাঠ উত্তপ্ত করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করতে চায়, তবে দেশবাসী তাদের ক্ষমা করবে না।

বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনেকে আমাদের পরিকল্পনাকে অবাস্তব বলে মনে করেন। কিন্তু বিএনপির একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএনপি জানে কীভাবে জনগণের জন্য কল্যাণমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয়। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, দলের নামের শেষে ‘ইসলাম’ থাকলেই সেটি ইসলাম হয়ে যায় না। এভাবে ধর্মের দোহাই দিয়ে ধোঁকাবাজি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তিনি আরও যোগ করেন, রাজনীতি ও গণতন্ত্রের চর্চা হলো জনকল্যাণের পরিকল্পনা দেওয়া। জামায়াত মানুষের জন্য কী করবে, সেই ইশতেহার না দিয়ে কেবল ধর্মকে ব্যবহার করছে।

ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল উল্লাহ নুরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম. মোবারক আলী, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি নেতা শফিউল আলমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ইত্তেফাক/এএইচপি