বিভিন্ন জায়গায় জামায়াতের নির্বাচনী এজেন্টদের হুমকি দেয়ার অভিযোগ

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩৩

বিভিন্ন জায়গায় জামায়াতের নির্বাচনী এজেন্টদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ তোলেন তিনি।

মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর পাচ্ছি, আমাদের এজেন্টদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাদের দেখে নেয়া হবে বা লাঞ্ছিত করা হবে—এই ধরনের তথ্য আমরা পাচ্ছি। বিষয়গুলো স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ইলেক্টোরাল কমিটিকে বলেছি।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘আজ থেকেই সাধারণ মানুষ গ্রামের দিকে যাচ্ছেন। পথে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। কিছু অসৎ ব্যবসায়ী অস্বাভাবিক ভাড়া নিচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে ইচ্ছা করে যানজট বা বাধা তৈরি করা হচ্ছে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি, এগুলোর জন্য অভিযোগের অপেক্ষা করার দরকার নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের চলাফেরাকে সুনিশ্চিত ও নির্বিঘ্ন করা। এটি তাদের রাষ্ট্রীয় ও পেশাগত দায়িত্ব।’
 
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের আসন ঢাকা-১৫ এ মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘জামায়াতের নামেই তারা কিছু ফটোকার্ড বা লিফলেটের মতো প্রিন্ট করে বিভিন্ন জায়গায় দিচ্ছে। জামায়াত নাকি ভোটারদের টাকা-পয়সা দিচ্ছে বা দেবে, এর জন্য বিকাশ নম্বর চাওয়া হচ্ছে। এইভাবে লিফলেট ছড়িয়ে আমাদেরকে বিতর্কিত করা এবং ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে। এটি সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমাদের পক্ষ থেকে এমনটা করার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা এটার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।’
 
এ বিষয়ে লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানাবেন জানিয়ে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো এসব বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। এটি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করার একটি মারাত্মক ধরনের অপপ্রয়াস। জামায়াত আমিরের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে টার্গেট করে এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রশাসন এবং ইসিকে এ ব্যাপারে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার করে আইনের মুখোমুখি করার দাবি জানাচ্ছি।’
 

 

ইত্তেফাক/এনএ